TMC Chief Whip: কল্যাণ পদ ছাড়তেই নতুন 'চিফ হুইপ'-এর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল, কে এলেন পদে?
তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল নতুন মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপের নাম। লোকসভায় কল্যাণের ছেড়ে আসা পদে বসছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

নয়াদিল্লি : গতকালই তৃণমূলের 'চিফ হুইপে'র পদ ছাড়ার ঘোষণা করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফাগ্রহণের পর তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল নতুন মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপের নাম। লোকসভায় কল্যাণের ছেড়ে আসা পদে দায়িত্ব নিচ্ছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
সোমবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসুস্থতার কারণে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভার দলনেতা করা হয়। সেদিনই 'চিফ হুইপে'র পদ ছাড়ার ঘোষণা করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর শুধু পদত্যাগই নয়, এদিন দলীয় সাংসদদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। মঙ্গলবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন চেয়ারপার্সন। ইস্তফাগ্রহণের পরই চেয়ারমার্সনকে ধন্যবাদ জানান কল্যাণ।
To The Chairperson,
— Kalyan Banerjee (@KBanerjee_AITC) August 5, 2025
Thanks for accepting my resignation. Regards. Kalyan Banerjee@MamataOfficial @AITCofficial
এবার সেই জায়গায় চিফ হুইপ হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। লোকসভায় ডেপুটি দলনেতার পদ পেলেন শতাব্দী রায়। শতাব্দী আর কাকলি দায়িত্ব পেতেই তাঁদের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানান মহুয়া মৈত্র।
Heartfelt congratulations to my senior colleagues @kakoligdastidar & @SatabdiRoyMP for being nominated Chief Whip & Deputy Leader of AITC in Lok Sabha. God bless & shine on!
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) August 5, 2025
উল্লেখযোগ্য ভাবে, মঙ্গলবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি। তিনি বলেন, 'ভাইপোর একমাত্র পরিচয়, তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো। কিন্তু কল্যাণ ব্যানার্জি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষিত মানুষ ...২০১১ সালের আগে সিপিএমের সঙ্গে যে সংঘর্ষ হয়েছিল, তখন যে আইনি লড়াই হয়েছিল, তাতে কল্যাণজির ভূমিকা তো ছিলই।' সোমবার ইস্তফাপত্র দেওয়ার পরই দলের একাংশের উদ্দেশে ক্ষোভ উগড়ে দেন কল্যাণ। তাঁর আক্রমণের তির সরাসরি ছিল মালা রায়ের দিকেও। 'দলের এ থাকে না, ও থাকে না...দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায় তিনি থাকেন না, একটাও প্রশ্ন করেনি, ভাবা যায়, এরপর না কি আমি খারাপ!'






















