Bankura News: মর্মান্তিক, মোটর বাইককে ধাক্কা গাড়ির, ভয়াবহ দুর্ঘটনা বাঁকুড়ায়, সন্তান হারিয়ে আর্তনাদ মায়েদের, মৃত একাধিক
Bankura Accident: বাঁকুড়ার জয়পুরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হল একাধিক জনের।

বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার জয়পুরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হল ৪ জনের। স্থানীয় সূত্রে দাবি, একটি গাড়ি এসে দুটি মোটর বাইককে ধাক্কা মারে। সেই ধাক্কার অভিঘাতে রাস্তায় পড়ে যান প্রথম মোটরবাইকে থাকা তিনজন। অপর বাইকে থাকা দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত অবস্থায় বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
আরও পড়ুন, "BJP-কে সুবিধা পাইয়ে দিতেই ডিলিমিটেশন ", এক সুরে অভিযোগ 'কালীঘাট তৃণমূল' থেকে 'ঋতব্রত তৃণমূলে'র
বাঁকুড়ার জয়পুরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা
বাঁকুড়া আরামবাগ দু নম্বর রাজ্য সড়কের জয়পুর থানার সলদা মোর সংলগ্ন এলাকায় ঘটে এই দুর্ঘটনা। তবে কিভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা সকলের কাছেই অজানা। রাতের অন্ধকারে দুর্ঘটনা হওয়ায় কাছাকাছি কেউ না থাকায় সকলের কাছে অজানা দুর্ঘটনার কারণ। পুলিশের অনুমান কোনো অজানা গাড়ি এসে দুটি মোটর বাইককে ধাক্কা মারে একটি মোটর বাইককে। চার ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। অপর বাইকে থাকা দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত অবস্থায় বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিচয়
মৃত ব্যাক্তিদের নাম যথাক্রমে পল্লব সাঁতরা (২০) বাড়ি জয়পুরের বৈতল গ্রামে। দ্বিতীয় জন অনন্ত সাঁতরা (২০) বাড়ি জয়পুরের সুপুর মেটে পাড়ায়। তৃতীয়জনের নাম উজ্জল বায়েন (২৪) বাড়ি জয়পুর থানার সুপুর মেটে পাড়ায়। একজন আহতের নাম বাপি রুইদাস বাড়ি জয়পুর থানার রাউথখণ্ড এলাকার কাঞ্চনারি গ্রামে। অপর আহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
রাতের অন্ধকারে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে
মৃতদের আত্মীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, তাঁরা একটি মোটর বাইক করে ঘুরতে বেরিয়েছিল জয়পুরে সেখান থেকে তারা বাড়ি ফিরছিল তারপর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখে রাতের অন্ধকারে রাস্তার ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে পাঁচ জনা। তাদের মধ্যে তিনজন মৃত এবং দুজন আহত অবস্থায়। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় জয়পুর থানায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জয়পুর থানার পুলিশ।
সন্তান হারিয়ে আর্তনাদ মায়েদের
আহতদের উদ্ধার করে এবং মৃতদেহগুলিকে নিয়ে আসা হয় বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। কর্তব্যরত চিকিৎসক পল্লব, অনন্ত এবং উজ্জ্বলকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আহত দুজনার চিকিৎসা শুরু হয় হাসপাতালে। পরে হাসপাতালে এসে পৌঁছায় মৃতর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা। সন্তান হারা হয়ে মায়েদের আর্তনাদ হাসপাতাল চত্বরে। রীতিমতো দিশেহারা পরিবার।
Before You Go
Suvendu Adhikari: "মোদিজির কথায় ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ট্রিপল ইঞ্জিন", কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?





















