Baruipur School Teacher Suspend: স্কুলের তহবিল থেকে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা তছরুপ-বিদেশ ভ্রমণ, বারুইপুরে সাসপেন্ড প্রধান শিক্ষক
অভিযোগ, স্কুল পরিচালন কমিটির অনুমোদন ছাড়াই তিনি স্কুলের ফান্ড যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছেন।

রঞ্জিত হালদার, বারুইপুর: ৪-৫ বছর ধরে স্কুলে কোনও অডিট হয় না। স্কুল পরিচালন কমিটির অনুমতি ছাড়াই বিদেশ ভ্রমণ, স্কুলের তহবিল থেকে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা তছরুপ, এমন একাধিক অভিযোগে বারুইপুরে সাসপেন্ড প্রধান শিক্ষক। মল্লিকপুর আব্দাস সকুর হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন অঞ্জন দাস।
অভিযোগ, স্কুল পরিচালন কমিটির অনুমোদন ছাড়াই তিনি স্কুলের ফান্ড যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছেন। গত ৪-৫ বছর ধরে স্কুলের অডিট করাননি। স্কুলবাড়ি রং করানো থেকে শুরু করে টেবিল, বেঞ্চ
তৈরি করাতেও টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ওই প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করেছে স্কুল শিক্ষা দফতরের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। বারবার ফোন করা হলেও সাড়া দেননি সাসপেন্ডেড শিক্ষক।
মল্লিকপুর আব্দাস সকুর হাইস্কুলের পরিচালন কমিটির তরফে সভাপতি শুভাশীষ সাহু বলেন, 'আর্থিক তছরূপের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। স্কুলের বিভিন্ন ফান্ড অপব্যবহার করেছেন। প্রশ্নপত্র ছাপানোর বিলের থেকেও টাকা লোপাট করেছেন। ২০২০ সাল থেকে ধাপে ধাপে এই কাজ করেছেন। আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা তছরুপ করেছেন।'
মল্লিকপুর আব্দাস সকুর হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক কুমারেশ মণ্ডল বলেন, 'স্কুল সংক্রান্ত ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের যত টাকা, স্কুলের আরও নানা উন্নয়নমূলক কাজে যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সেই সমস্ত টাকা বিভিন্ন কায়দায় অপব্যবহার করা হয়েছে। যেগুলির হিসেব চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই হিসেব আজও পাওয়া যায়নি। তখনই সন্দেহ হয়েছিল। ডিআই অফিসারদেরও উনি কাগজ দেখাতে পারেননি, কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। এমন সমস্ত কাজের ভাউচার দেখানো হয়েছে যেগুলির কাজই হয়নি। ১০ টাকার রঙ করলে তা ১০০ টাকার হিসেব দেখানো হয়েছে।'
ওই স্কুলের আরেক সহকারী শিক্ষক উমা প্রসাদ মণ্ডল বলেন, 'আমাদের অন্ধকারে রেখেই তহবিল খরচ করেছেন। জানতে চাইলে বলেছিলেন আমাদের এই হিসেব চাওয়ার অধিকার আমাদের নেই। সভাপতিকেও চিঠি করেছিলাম। কিন্তু তাও জানান হয়নি। এরপর আমরা ডিএম, কমিশনার অফ এডুকেশনকে চিঠি করি। আরটিআই ও করেছি। আমাদের বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় ডায়রিও করেছে। লকডাউনের সময়ই যা টাকা নয়ছয় করার করেছেন।'






















