Toll Tax: এই কাজ করলেই এবার গাড়ির পারমিট, ফিটনেস সার্টিফিকেট আটকে দেবে সরকার! রাস্তায় বেরনোর আগে জেনে নিন নিয়ম
Toll Tax New Rule: দেখা গিয়েছে, ন্যাশনাল হাইওয়েতে প্রযোজ্য টোল চার্জ একাধিক গাড়ি এড়িয়ে গিয়েছে। এই বকেয়া টোল না মেটালে বাকি পরিষেবা দেওয়া হবে না।

নয়া দিল্লি: টোল ট্যাক্স নিয়ে এর আগে একাধিক নিয়ম লাগু করেছিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার সরকার ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল হাইওয়েতে টোল পরিশোধ সংক্রান্ত নিয়মকানুন কঠোর এবার আরও কঠোর। এও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, বকেয়া টোল থাকা গাড়িগুলির বিরুদ্ধে এবার কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রেজিস্ট্রেশন এবং পারমিট-সম্পর্কিত প্রক্রিয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
টোল প্লাজায় গাড়ি যদি নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করতে না পারে সেক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্র। ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা নিশ্চিত করতে সরকার সেন্ট্রাল মোটর ভেহিক্যালস (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিধিমালা, ২০২৬ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যা সেন্ট্রাল মোটর ভেহিক্যালস বিধিমালা, ১৯৮৯-এর পরিবর্তিত।
এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নতি করা, টোল ফাঁকি কমানো এবং ন্যাশনাল হাইওয়েতে বাধাহীন টোলিং ব্যবস্থা মসৃণভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করা। সংশোধিত বিধিমালা অনুসারে, সরকার "অপরিশোধিত ব্যবহারকারী ফি"-এর এই নতুন নিয়ম এনেছে।
দেখা গিয়েছে, ন্যাশনাল হাইওয়েতে প্রযোজ্য টোল চার্জ একাধিক গাড়ি এড়িয়ে গিয়েছে। যেখানে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম গাড়ির চলাচল রেকর্ড করেছে, কিন্তু ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যাক্ট, ১৯৫৬ অনুযায়ী ফি গ্রহণ করা হয়নি। এই বকেয়া টোল না মেটালে বাকি পরিষেবা দেওয়া হবে না।
এমনকী, এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, গাড়ির মালিকানা হস্তান্তর বা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গাড়ি স্থানান্তরের জন্য নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) জারি করা হবে না, যদি সমস্ত অপরিশোধিত টোল ফি পরিশোধ না করা হয়ে থাকে। একইভাবে, বকেয়া টোল থাকা যানবাহনগুলোকে ফিটনেস সার্টিফিকেট রি-ইস্যু বা প্রাপ্তির অনুমতি দেওয়া হবে না।
জাতীয় পারমিটের জন্য আবেদনকারী বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে, নিয়ম অনুযায়ী এখন এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যে, গাড়ির বিরুদ্ধে কোনো অপরিশোধিত টোল চার্জ থাকা চলবে না।
অন্যদিকে, হাইওয়েতে আর নগদ লেনদেন নয়। টোল ট্যাক্স দিতে হবে কেবলমাত্র ফাস্টট্যাগ বা ইউপিআই পদ্ধতিতে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের নির্দেশে আগামী ১ এপ্রিল থেকে গোটা দেশে কার্যকর হবে নয়া নিয়ম। অর্থাৎ, দেশের সমস্ত মহাসড়ক এবং জাতীয় সড়কের টোল প্লাজায় নগদ লেনদেন চলবে চলতি অর্থবর্ষের ৩১ মার্চ অবধি। মহাসড়কগুলির ভ্রমণকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার লক্ষ্যেই নয়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের।
কেন্দ্রের বক্তব্য, টোল প্লাজায় ঘন ঘন থামার ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ে, চালকদের মধ্যে ক্লান্তি দেখা দেয়। প্রতিবার গাড়ি থামিয়ে আবার গাড়ি চালানোর ফলে সময় এবং ডিজেল দুই নষ্ট হয়। দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণের সময় এই ক্ষতি আরও বেড়ে যায়। নগদহীন টোলিং ব্যবস্থা এমন একাধিক সমস্যার সমাধান করবে।






















