Baruipur: বারুইপুরে খাসমল্লিকে উদ্ধার ভুয়ো পাসপোর্ট, গ্রেফতার ২
বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সেগুলো অরিজিনাল না ডুপ্লিকেট তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন অভিযুক্তরা।

বারুইপুর: ফের ভুয়ো পাসপোর্টের হদিশ মিলল। এবার বারুইপুরে উদ্ধার ভুয়ো পাসপোর্ট। ঘটনাটি মূলত ঘটেছে বারুইপুরের খাসমল্লিকে। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ভুয়ো পাসপোর্ট। যেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জনকে। নদিয়া, বিহার, ওড়িশার বাসিন্দাদের পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বিদেশে চাকরির টোপ দিয়ে পাসপোর্ট জমা রেখে টাকা তুলত ধৃতরা, দাবি পুলিশের। ধৃতদের নাম মেহবুব মোল্লা, বাড়ি মগরাহাটে, ধৃত প্রীতম বসুর বাড়ি নরেন্দ্রপুরে।
খাসমল্লিকপুরে যে বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছিল অভিযুক্তরা, সেই এলাকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, ''বাড়িতে অনেকেই বিভিন্ন সময়ে আসত। ওঁদের নিজেদের আত্মীয় না কি বাইরের লোক, তা জানা যায়নি। অনেক মেয়ে রাতেও আসত। একজন ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু একজনের বদলে চার পাঁচজন আসত। এক-দেড় বছর ধরে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকত ওরা।''
বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সেগুলো অরিজিনাল না ডুপ্লিকেট তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন অভিযুক্তরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রীতম বলে যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই মুম্বইয়ে একটি কল সেন্টারে কাজ করত। তার বাড়িই নরেন্দ্রপুরে। বারুইপুর পুলিশ ডিস্ট্রিক্টসের অফিসারদের তল্লাশি অভিযানেই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।
উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর তার পরই সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। SIR প্রশ্নে দিলীপ বলেন, "SIR নিয়ে দলের কাজ হয়ে গিয়েছে। এখন BLO-রা করছেন। কিন্তু যেটা আমরা বলেছিলাম যে প্রায় ১.৫ কোটির কাছাকাছি ভুয়ো ভোটার আছে, নাম বাদ যাবে, সেটা প্রায় কাছাকাছি। ৫৮-৫৯ লক্ষ তো ফর্মই ফেরত আসেনি। নাম বাদ গিয়েছে। এর পর যে ফর্ম এসেছে, তাঁদের একাধিক জায়গায় নাম আছে। জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, কোথায় ভোটার থাকতে চান। SMS-এ মেসেজও আসছে।"
দিলীপ আরও বলেন, "১ কোটি ৩৮ লক্ষ আরও এমন নাম এসে যাবে। ডাকা হচ্ছে। আরও বাড়তে পারে। সেখান থেকেও কিছু ছাঁট বেরোবে। আমাদের বক্তব্যের দিকেই যাচ্ছে প্রসিডিং। তৃণমূল বলছিল, 'কী হল, কিছুই তো হল না'! কী হল বোঝা যাচ্ছে না? তাদের মহামন্ত্রী দিল্লিতে রাজপথে দাঁড়িয়ে চিৎকার করছিলেন কাল। বোঝা যাচ্ছে আগুন লেগেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও সকাল বিকেল এখনও বলছেন, 'এই করব, তাই করব, দেখে নেব'। কেন? ঠান্ডা মাথায় বসুন না! ঠান্ডা ঠান্ডা, কুল কুল। তৃণমূলকে এভাবেই দেখতে চাই আমরা। কিন্তু এখন আর সম্ভব নয়। কারণ আগুন লেগে গিয়েছে। এই যে ১-১.৫০ কোটি নাম যদি বাদ যায়, তৃণমূল থাকবে কোথায়! এটাই সত্য, তথ্য প্রমাণ দিচ্ছে।"






















