Barun Biswas: সেরিব্রাল অ্য়াটাকে হাসপাতালে ভর্তি সুটিয়ায় প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের বাবা
Barun Biswas Murder Case: বরুণ বিশ্বাসের খুনের অন্যতম সাক্ষী তাঁর বাবা। গত মাসেই বনগাঁ ফাস্টট্র্যাক কোর্টে ছেলের খুনের ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ করেন বরুণ বিশ্বাসের বাবা।

কলকাতা: সেরিব্রাল অ্যাটাকে হাসপাতালে ভর্তি নিহত বরুণ বিশ্বাসের (Barun Biswas) বাবা। বাঙুর নিউরো সায়েন্সে চিকিৎসাধীন সুটিয়ায় নিহত প্রতিবাদী শিক্ষকের বাবা।
আজ সকালেই বাড়িতে সেরিব্রাল অ্যাটাকে আক্রান্ত হন বরুণ বিশ্বাসের বাবা জগদীশ বিশ্বাস। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে প্রথমে SSKM-এ নিয়ে যান। তারপর সেখান থেকে তাঁকে বাঙুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে HDU-তে ভর্তি করা হয়েছে।
বরুণ বিশ্বাসের খুনের অন্যতম সাক্ষী তাঁর বাবা। গত মাসেই বনগাঁ ফাস্টট্র্যাক কোর্টে ছেলের খুনের ঘটনায় সাক্ষ্য দেন বরুণ বিশ্বাসের বাবা। বরুণ বিশ্বাসের দিদির দাবি ছেলে বরুণের খুনের বিচার নিয়ে উৎকন্ঠায় ভুগতেন তাঁদের বাবা। সেই দুঃশ্চিন্তা থেকে থেকেই এই সেরিব্রাল অ্যাটাক বলে মনে করছেন তিনি। এখনও কিন্তু বিচারের অপেক্ষায় বরুণ বিশ্বাসের পরিবার।
জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে এসেছিল বরুণ বিশ্বাসের পরিবার। ৫ জুূলাই, ২০১২, উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলিতে খুন হন সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউটশনের শিক্ষক ছিলেন বরুণ বিশ্বাস। খুনের মামলায় মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে জেলেই একজনের মৃত্যু হয়। বাকিরা জামিনে ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সেই মামলা ঝুলে রয়েছে আদালতে। তৃণমূল জমানায় বারবার বদল হয়েছে আইনজীবী। এবার মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির সেই বরুণ বিশ্বাসের পরিবার।
আরও পড়ুন:- চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচের দায়িত্বে আইপিএলের 'পার্পল ক্যাপ' জয়ী প্রাক্তনী
৩৮ বছর বয়সী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস সুটিয়ায় নারী নির্যাতন এবং গণধর্ষণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। এলাকায় প্রতিবাদের মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। পরিবারের দাবি, সেই কারণে পরিকল্পিত ভাবে বরুণকে খুন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে পুনর্তদন্তের দাবি নিয়ে যাওয়ার পরেই কিছুদিন পর উত্তর ২৪ পরগনার সুটিয়ায় নিহত প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের বাড়িতে যান CID-র দুই অফিসার। কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।
নতুন করে সিআইডি এই বিষয়ে খোঁজ শুরু করার কিছুটা আসার আলো দেখতে পেয়েছেন বরুণের দিদি প্রমীলা দেবী। তিনি বলেন, 'আমরা খবর পেয়েছি। ওঁরা আমাদের ফোন করেছিলেন। বিচার পেলে খুশি হব। কেস নিয়েছে সবই ঠিক আছে। কিন্তু আমরা শেষপর্যন্ত (দেখতে) চাই, বিচারটা যেন আমরা পাই। সঠিক বিচারটা।' পরিবারের দাবি মেনে পুনরায় তদন্ত করা হবে কি না, এবার সেটাই দেখার বিষয়।
Before You Go
Suvendu Adhikari: "মোদিজির কথায় ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ট্রিপল ইঞ্জিন", কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?






















