Bengal SIR Row:' শুনানির নোটিস পেয়েই ট্রেনের সামনে ঝাঁপ..' ! পুরুলিয়ায় আদিবাসী বৃদ্ধের মৃত্যুতে বিস্ফোরক অভিযোগ TMC ও মৃতের পরিবারের
Bengal SIR Row Purulia Body Rescue : SIR-শুনানির দিন সকালেই রেল লাইনের ধারে বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস ও মৃতের পরিবারের

পুরুলিয়া: পুরুলিয়ার পারায়, গ্রামের পাশে রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হয়েছে আদিবাসী বৃদ্ধর দেহ। SIR-শুনানির দিন সকালেই বৃদ্ধের দেহের খোঁজ মিলেছে। 'নাম ওঠেনি খসড়া তালিকায়, ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ভয়ে ছিলেন বৃদ্ধ, শুনানির নোটিস পেয়েই চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা করেছেন', ৮২ বছরের আদিবাসী বৃদ্ধ দুর্জন মাঝির মৃত্যুতে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস ও মৃতের পরিবারের।
আরও পড়ুন, মগরাহাটে কমিশনের পর্যবেক্ষকের গাড়িতে হামলা ! ভেঙে দেওয়া হল সি মুরুগানের গাড়ির লক পর্যন্ত..
গতমাসেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল উলুবেড়িয়ায়। মৃত জাহির মাল দিনমজুরি করতেন বলে জানা গিয়েছে।ব্যারাকপুর পুরসভা এলাকায় একটি ঘটনা ঘটে। বছর ৩২ এর ওই গৃহবধূর নাম কাকলি সরকার। ২০১০-১১ সালে বিয়ে হয় এবং তারপর ২০১৬ থেকে পাকাপাকিভাবে, এদেশে বসবাস করছিলেন। ভারতীয় নথি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ভোটার কার্ড এবং আঁধার কার্ড। তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে তিনি থাকছিলেন। শাশুড়ি যেটা অভিযোগ করছেন যে, NRC এর জন্য তিনি আতঙ্কিত ছিলেন। সেটা তিনি (মৃতা গৃহবধূ কাকলি সরকার) বারবার শাশুড়িকে জানিয়েছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায়, শাশুড়ির সঙ্গেই ছিলেন। হঠাৎই তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপর অন্যান্য লোকজন গিয়ে দেখতে পায়, বাড়ির দোতালার ছাদে গিয়ে, গায়ে আগুন দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। এরপর তাঁকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দোতলার ছাদে গায়ে আগুন দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হন। তাঁকে উদ্ধার করা হয় মৃত অবস্থায়। দরজায় সাঁটা অবস্থায় উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। আত্মঘাতী মহিলার শাশুড়ি শিবানী সরকার বলেছিলেন, দরজার মধ্যে বড় এক পৃষ্ঠা লেখা ছিল। দরজা ধাক্কা দিচ্ছি খুলছে না। ওপর দিয়ে গিয়ে দেখে মরে পড়ে আছে। সূত্রের খবর, তৃণমূলের পদাধিকারীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছিলেন, SIR ঘিরে একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। টিটাগড়ে কাকলি সরকার আত্মহত্য়া করেছেন।
সম্প্রতি তামিলনাড়ুতে মৃত্যু হয় জামালপুরের পরিযায়ী শ্রমিকের। ৫১ বছর বয়সী ওই পরিযায়ী শ্রমিকের নাম বিমল সাঁতরা। তিনি মূলত জামালপুরের নবগ্রামের বাসিন্দা। মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের ছেলে জানিয়েছেন,'SIR আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে বাবা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। SIR হলে ভোটার তালিকায় নাম থাকবে কিনা, সেই নিয়ে চিন্তায় ছিলেন। SIR আতঙ্কের জেরেই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি ছেলের। তামিলনাড়ুর হাসপাতালে ভর্তি হন ওই প্রৌঢ়। এরপর তামিলনাড়ুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। একের পর এক SIR-এ মৃত্যু, দায়ী নির্বাচন কমিশন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। SIR-এ মৃত্যু নয়, অন্যকোনও কারণে মৃত্যু হতে পারে, দাবি বিজেপির।






















