Bratya Basu : 'সর্প হইয়া দংশন কর ওঝা হইয়া ঝাড়', অভিজিৎ না-আসায় কবিতা-খোঁচা ব্রাত্যর
অভিজিৎ জানিয়ে দেন, এই পরিস্থিতিতে তিনি আর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন না।

মঙ্গলবারই ঠিক হয়েছিল নির্ঘণ্ট। এদিন ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন অনুষ্ঠানে ঠিক হয় যোগ্যদের চাকরি ফেরাতে ফর্মুলা নিয়ে বুধে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাবেন প্রাক্তন বিচারপতি ও বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ব্রাত্য বসু মারফত চিঠি দেবেন মুখ্যমন্ত্রীকে। ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন অনুষ্ঠানেই নির্ঘণ্ট নির্ধারণ হয়। তবে শেষমেষ হল না সাক্ষাৎ। বুধবার বিকাশভবনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে দেখা করার কথা থাকলেও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় গেলেন না। কারণ এদিন বেলা যত গড়িয়েছে বদলেছে পরিস্থিতি। ডিআই অফিসে চাকরিহারাদের ওপর দেদার লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। আর তারপরই অভিজিৎ জানিয়ে দেন, এই পরিস্থিতিতে তিনি আর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন না।
অভিজিৎ যা বললেন
অভিজিৎ স্পষ্ট করে দেন , ব্রাত্য বসুর সঙ্গে দেখা করবেন বলে বাড়ি থেকে চিঠি লিখে আনলেও তিনি যাবেন না। কারণ রাজ্য সরকার যে অসহিষ্ণুতা দেখিয়েছে চাকরিহারাদের উপর, তাতে 'এই ভদ্রজনচিত আচরণ করে কোনও লাভ নেই। ' কসবা ও অন্যত্র শিক্ষকদের ওপর নৃশংস ব্যবাহারের প্রতিবাদে ব্রাত্যর সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনাই বাতিল করেন তিনি। এরপর বিকাশ ভবন থেকে বেরিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন ব্রাত্য। শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন করেন, 'SSC ভবনে গেলেন, কেন বিকাশভবনে এলেন না'।
ব্রাত্য যা বললেন ...
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ''উনি নিজেই আসতে চেয়েছিলেন। তিনি দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, মিডিয়াকে না বলে তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই লিখিতভাবে আবেদন করতে পারেন। সেই অনুসারে তাঁরই চিঠি দিতে আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি এলেন না। এ বিষয়ে একটি কবিতার লাইন মনে পড়ে যাচ্ছে...সর্প হইয়া দংশন কর ওঝা হইয়া ঝাড়" ব্রাত্য আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষা দফতর কোনও ভাবেই যুক্ত নয়। উনি এলেন না কেন উনিই বলতে পারবেন। উনি দলীয়ভাবে কোনও বিপদে পড়লেন কি না, দল তাঁকে বারণ করল কি না, সেটা উনিই বলতে পারবেন।
এদিন কসবায় DI অফিসে চাকরিহারাদের লাঠিপেটা করার ঘটনায় লালবাজারে প্রতিবাদ প্রদর্শন করে বিজেপি। লালবাজারে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে যোগ দেন বিজেপির কর্মীরা। রাস্তায় বসে পড়েন বিজেপি বিধায়করা। লালবাজারের সামনে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় শুয়েও পড়েন বিজেপি বিধায়করা। বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে বিজেপি বিধায়কদের টেনে হিঁচড়ে তোলে পুলিশ।























