Bus Accident: চালকের কানে মোবাইল! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়নজুলিতে বাস, জখম অনেক যাত্রী
Bardhaman-Arambagh Road: বর্ধমান থেকে আরামবাগের দিকে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। বাসটি রাস্তার ধারে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা মারে। তারপর একটি নয়নজুলিতে নেমে যায়।

কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: বর্ধমান–আরামবাগ রোডে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা। সেই দুর্ঘটনায় আহত হলেন একাধিক যাত্রী। জানা গিয়েছে, বাস চালকের গাফিলতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, বাস চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন চালক। আর, সেই কারণেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে নয়নজুলিতে নেমে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহি থানার নন্দনপুর এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান থেকে আরামবাগের দিকে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। নন্দনপুর এলাকায় ঘটে এই ঘটনা। তারপর বাসটি প্রথমে রাস্তার ধারে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা মারে। ধাক্কা মেরে বাসটি রাস্তার পাশের একটি নয়নজুলিতে নেমে যায়। দুর্ঘটনার কারণে বাসে থাকা একাধিক যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মাধবডিহি থানার পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় আহত যাত্রীদের বাসের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের মধ্যে কারও আঘাত গুরুতর কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন: চেক বাউন্স বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল হুমায়ুন কবীরকে
ঘটনার পরই বাসচালকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এক মহিলা যাত্রী। তাঁর দাবি, তিনি চালকের কেবিনের কাছেই বসেছিলেন। সেই সময় তিনি লক্ষ্য করে চালক মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে বাস চালাচ্ছেন। আর ফোনে কথা বলার মাঝেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। আর তারপরই এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পথ নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালায়। যদিও এদিন দেখা গেল বাস্তবে সেই নির্দেশিকা উপেক্ষা করেন মানুষ। যাত্রীবাহী বাস চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। চালকের মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার জন্য অন্য কোনও কারণ ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।























