Kolkata News: সরকারি কর্মচারী ঘুষ চাইলেই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন, সোশাল মিডিয়ায় প্রচার রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার
Kolkata News Update: রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তোলাবাজিতে জিরো টলারেন্সের নীতি নিয়েছে বিজেপি সরকার। এবার সেই ক্ষেত্রেই আরও একধাপ অগ্রসর হল রাজ্য।

কলকাতা : সরকারি কর্মচারী ঘুষ চাইলেই টোল ফ্রি নম্বরে যোগাযোগ করতে বার্তা। সোশাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করল রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। চালু করা হল টোল ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর। সোশাল মিডিয়া পোস্টে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখার তরফে লেখা হয়েছে - দুর্নীতিকে না বলুন। যদি কোনও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী ঘুষ দাবি করেন বা ঘুষ নেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন কিংবা জোরপূর্বক অর্থ আদায় করেন, সেই ব্যাপারে জানান। এমনকী দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকলেও এই হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার কথা বলা হয়েছে পোস্টটিতে। হেল্পলাইন নম্বরটি হল - ৯৮৩৬২৩৩৮৯১ এবং মেল অ্যাড্রেস acb-wb@nic.in । রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তোলাবাজিতে জিরো টলারেন্সের নীতি নিয়েছে বিজেপি সরকার। এবার সেই ক্ষেত্রেই আরও একধাপ অগ্রসর হল রাজ্য।
গর্ত ভর্তি রাস্তা, বর্ষার জলে সেখানেই তৈরি মরণফাঁদ, দমদম থেকে দুর্গাপুর, নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি
বিজেপি সরকার রাজ্যে আসার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হয়েছে 'গুন্ডাদমন আইন'। বিক্ষোভ-প্রতিবাদের নামে সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্ট করলে কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে রাজ্য সরকার। ২৯ জুন বিধানসভায় পাস হয় গুন্ডা-দমন সংক্রান্ত ২টি বিল। নতুন এই আইনের ফলে এবার আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতি থেকে হিংসাত্মক বিক্ষোভের আঁচ পেলেই গ্রেফতার করা যাবে অভিযুক্তকে। এছাড়া যে কোনও সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে রাজ্য সরকার। 'গুন্ডাদমন আইন' অনুযায়ী, প্রশাসন যদি মনে করে, কেউ জন-নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন বা কেউ বড়সড় সমাজবিরোধী অপরাধের চক্রান্ত করছেন, তবে ঘটনার আগেই তাঁকে বিনা বিচারে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত আটক হিসাবে রাখা যাবে।
কলকাতা বিমানবন্দরে এক কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সোনা-হিরে সমেত গ্রেফতার ১
এর পাশাপাশি, বিক্ষোভ, দাঙ্গা, ভাঙচুর বা আগুন লাগিয়ে কোনও সরকারি বা ব্য়ক্তিগত সম্পত্তি নষ্ট করলে তার ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে সরকার। এর জন্য অভিযুক্তের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যেতে পারে।'ক্লেমস কমিশনে'র কাছে আবেদন করে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এক্ষেত্রে 'ক্লেমস কমিশন'কে দেওয়ানি আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে। এক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে ধরা হবে 'ক্লেমস কমিশন'-এর রায়। অপরাধীর পাশাপাশি উস্কানি দিলে বা অর্থ জোগান দিলে এবং সংগঠক ও অভিযুক্তের আশ্রয়দাতাকেও অভিযুক্ত হিসেবে গণ্য় করা হবে।























