Chandra Bose : ভোটের আগেই BJP থেকে এসেছিলেন TMC-তে, ফলে ভরাডুবি হতেই তৃণমূলও ছাড়লেন চন্দ্র বসু
ব্যক্তিগত কারণেই তিনি দলের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিক চন্দ্র বসু

কলকাতা : বিধানসভা ভোটের মুখে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। আর ভোটে ভরাডুবির মাস কয়েকের মধ্যে সেই দলও ছাড়লেন তিনি। কালীঘাট তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন প্রবীণ রাজনীতিক চন্দ্র বসু। তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন নেতাজির পরিবারের সদস্য। যদিও দল ছাড়ার পিছনে রাজনৈতিক কোনও কারণ নয়। তিনি জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি দলের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
এই চন্দ্র বসু বিধানসভা ভোটের ঠিক আগেই পদ্ম শিবির ছেড়ে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন। তাঁর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। ১০ বছর পর আরেক বিধানসভা ভোটের আগে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দলে যোগ দেন তিনি। তারপর ভোটে তৃণমূল ব্যাকফুটে যেতে চন্দ্রের দলত্যাগ।
২০১৯ সালে দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা আসন থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়েন তিনি। কোনও বারই অবশ্য জয়ের মুখ দেখেননি চন্দ্র বসু। তার পর থেকে অবশ্য নানা বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। তারপর অবশেষে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দেন চন্দ্র বসু। নিয়োগ দুর্নীতি থেকে আবাস যোজনায় অনিয়ম - একের পর এক ইস্যুতে রাজ্য বিজেপির নেতারা যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন, তখন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর প্রসংশা করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, 'মেরুকরণ করে রাজনীতি করতে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখিনি। কিন্তু, বিজেপি ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে' । BJP ছাড়ার আগে চন্দ্র বসু দাবি করেছিলেন,' বিজেপিতে কাজ করার সুযোগ পাইনি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমি দু - বার ভোটে দাঁড়িয়েছি। তবু বলছি, তৃণমূল প্রচুর কাজ করেছে রাজ্যে। বিজেপি তো তৃণমূলের বি টিম হয়ে আছে। অনেকে আমাকে বলছেন, বি টিমে আছেন কেন? এ টিমে কাজ করার তো সুযোগ অনেক বেশি! তাই সুযোগ পেলে এ টিমে যাওয়ার কথা সিরিয়াসলি কনসিডার করব' । তারপরই গত এপ্রিলে ঘাস-ফুল শিবিরে যোগ দেন তিনি। সেই সময় তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন ' সবার কথার জবাব দিতে নেই। উনি শ্রদ্ধেয় লোক। উনি ওনার ব্যক্তিগত কথা বলছেন। মাঝেমধ্যে আমাকে টেক্সট করেন।'
এখন পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চন্দ্র বসুর পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ কী হয়, সেটাই দেখার।
Before You Go
Suvendu Adhikari: 'ক্যাম্পাসে এভাবে দেশবিরোধী কাজ চলতে দেওয়া যাবে না', কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর






















