CM Suevndu Adhikari: "কাউকে ছাড়ব না", SIT গঠনের নির্দেশ দিয়ে পুরুষ 'লক্ষ্মী'দের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
Suvendu On Lakshmir Bhandar Scam: “৩০ লক্ষ ফলস..”, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বড় দুর্নীতি সামনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী, কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ? কী বললেন তিনি

কলকাতা: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দুর্নীতি নিয়ে কড়া বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর । তিনি বলেন, '২২ টি ফেক অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে, যেখানে পুরুষরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিচ্ছে।'
আরও পড়ুন, ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা ? মাসের শুরু থেকেই ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা ? কী বলছে IMD
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও, কিছু বিভ্রান্তি , মিথ্যা প্রচার, গত দুই-তিন দিন ধরে যারা চালিয়েছিলেন, এখন তাঁরা নিজেরাই, বিভিন্ন জায়গায় ফর্ম ফিলাপ করার জন্য, এগিয়ে এসেছেন এবং জনগণও সহযোগিতা করছে। আমরা এর আগে অফলাইনে চালু রেখেছিলাম, আজ থেকে অনলাইনেও চালু হয়ে গিয়েছে। আমাদের ২০ জন আধিকারিক… জেলায় জেলায় গিয়ে, এই কাজ মনিটরিং করছে। আমরা আশা করছি বুধবার, খুব বড় সংখ্যায় আমরা ট্রান্সফার করব। রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে, এই কর্মসূচির সূচনাতে একটা ইভেন্ট হবে। এবং আমরা নবান্ন সভাগৃহ থেকে, রাজ্য মন্ত্রীসভার সদস্যদের, উপস্থিতিতে একটা সাংবাদিক ইভেন্টও করব। আমি এই সংক্রান্ত আপনাদের কাছে, কেন আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমি এর আগে রাকিবুল শেখের কথা বলেছিলাম, এই কেসে অনেক বড় পর্দাফাঁস হয়েছে।…এখানে এখনও পর্যন্ত ২২ টা ফলস অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। যেখান থেকে মহিলারা নয়, পুরুষরা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিচ্ছে। এটা অনেক বড় সংখ্যা হবে। এবং আরও আমরা তদন্তের গতি পুলিশকে বাড়াতে বলেছি। ২২ টা অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটা অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করা রয়েছে রাকিবুল শেখের সঙ্গে। মুস্তাফিজুর রহমান এবং তাঁর স্ত্রী, এরা লক্ষ্মীভাণ্ডারের ১৫ টা অ্যাকাউন্ট চালাচ্ছেন। ৬ অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে তারিকুল রহমানের।'
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা,' যারা ১২ পাতা, ১৬ পাতা, ১৮ পাতা করছেন, এই জনগণের দ্বারা রিজেক্টটেড নেতা এবং তাঁদের দলের লোকেদের বলব, যে এই সংখ্যাটা কত হবে জানি না। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা তো পাচ্ছেন। তার সাথে সাথে হাজার হাজার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, যারা মহিলা নন, বা এই কর্মসূচির আওতায় আসেন না, তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার লুঠ করেছেন, সেটা আমরা পেয়েছি, আমরা কাউকে ছাড়ব না। আমি বলেছি, সিট গঠন করতে, ..মানি লন্ডারিংয়েও এদের কেসকে ট্রান্সফার করার জন্যও আমরা ডায়রেকশন দিয়েছি। আমরা হিসেব করে দেখেছি, এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়া, এবং এই রাকিবুল, মুস্তাফিজুর , তারিকুলরা মিলে অন্তত ৩০ লক্ষ ফলস লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলেছেন। ..দেড় হাজার টাকা করে যদি হিসেব করেন, কত হাজার কোটি টাকা, আপনাদের জণগনের টাকা কীভাবে, এরা লুঠ করেছে, এই লুঠেরাদের পার্টি, এটা তার প্রমাণ (হাতে কাগজ দেখিয়ে)।






















