Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণা যোজনার 'টাকা ট্রান্সফার' কবে ? নবান্নে জরুরি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, এখনও অবধি কত জনের ভেরিফিকেশন আপলোড হয়েছে ? জানালেন বিস্তারিত
CM Suvendu Adhikari on Annapurna Yojana Scheme : চারদিনের জন কল্যাণ শিবির শেষ হতেই, নবান্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর।

কলকাতা: রাজ্যজুড়ে চলল পরপর চারদিন ‘জন কল্যাণ শিবির’। এক ছাতার তলায় একাধিক কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রকল্পের সুবিধা। চারদিনের জন কল্যাণ শিবির শেষ হতেই, নবান্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। অন্নপূর্ণা যোজনার 'টাকা ট্রান্সফার' কী বার্তা দিলেন তিনি ?
আরও পড়ুন, আবহাওয়ার লাল সতর্কতা, নবান্ন থেকে জরুরি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, চারটে স্কিমেই মেজর.. নাম নথিভুক্ত হয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত ২২ লাখ ২৩ হাজার ৬৭০, অন্নপূর্ণা যোজনা ৮ লাখ ১৫ হাজার ৩৫৯ । যেহেতু ২৮ লক্ষ মহিলা ৩ জুন টাকা পেয়ে গিয়েছেন, আরও ১ কোটি ৫ লক্ষ মহিলার (আবেদন) ভেরিফিকেশন করে আপলোড হয়ে গিয়েছে। পয়লা জুলাই টাকা ট্রান্সফার হবে। …প্রায় ১ লাখ ৩০ মতো অলেরডি ভেরিফায়েড এবং আপলোড হয়ে গিয়েছে।প্রায় ১ লাখ ৩০ মতো অলেরডি ভেরিফায়েড এবং আপলোড হয়ে গিয়েছে। '
নন্দীগ্রামের শিবিরে ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। আয়ুষ্মান প্রকল্প থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা, জব কার্ড থেকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন স্কলারশিপ। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধার জন্য আবেদন, যাচাই ও পরামর্শ- সব সুবিধা একসঙ্গে দেওয়ার জন্য সোমবার থেকে জনকল্যাণ শিবিরের শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। নন্দীগ্রাম থেকে এই পরিষেবার সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমাদের রাজ্য়ে আজকে প্রায় ১হাজার ১০০-র কাছাকাছি স্থানে জনকল্য়াণ শিবির হচ্ছে। এই জনকল্য়াণ শিবিরে, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য় সরকারের ৫৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্কিম, যার সরাসরি কল্য়াণ বা সুযোগ আমাদের এই রাজ্য়ের মানুষ পাবেন। মহিলারা পাবেন। কৃষকরা পাবেন। অসংগঠিত শ্রমিকরা পাবেন। বেকার যুবকরা পাবেন। ছাত্রছাত্রীরা পাবেন এবং সমাজের সমস্ত বর্গ, সমস্ত জায়গার লোকেরা পাবেন।' জেলায় জেলায় বিভিন্ন ব্লক স্তরে এক ছাতার তলায় মিলবে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আবেদনের সুবিধা।সরকারি আধিকারিক বলেন, বেনিফিশারির কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন একটা হচ্ছে আমাদের এখানে। তারপর আমরা ফর্ম দিচ্ছি। যাঁরা দিতে আসছে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে জমা করে নিচ্ছি। আধার কার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে যাতে কেউ সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য সব প্রকল্পের প্রতিনিধিরাই ছিলেন শিবিরে।






















