ED On Judicial Probe : ভোটের আগে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ED অধিকর্তার 'ডেডলাইন', কড়া অবস্থান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার
ED Chief Rahul Navin ON All Investigation: ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে কড়া অবস্থান ED-র।

কলকাতা: '২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বাকি থাকা সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে', ভোটের আগে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ED অধিকর্তার 'ডেডলাইন'।
আরও পড়ুন, প্রয়াত মুকুল রায়, দেখে নিন ৯ বছর আগের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার
৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে কড়া অবস্থান ED-র। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্রুত মামলা শেষের নির্দেশ ED প্রধানের।'নতুন মামলাগুলি ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে শেষ করতে হবে', আর্থিক দুর্নীতি, সাইবার প্রতারণা, ব্যবসা সংক্রান্ত টাকা প্রতারণার মামলা তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি'। 'দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে', গুয়াহাটি ED-র কনফারেন্সে বার্তা ডিরেক্টর রাহুল নবীনের।
প্রসঙ্গত, IPAC মামলায়, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করেছে ED. যেখানে বলা হয়েছে, নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি যে নথিগুলি নিয়ে গেছেন সেগুলি যে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসেরই ছিল, নাকি সেখানে কয়লাপাচার মামলার নথিও ছিল সেসম্পর্কে ED নিশ্চিত না। কিন্তু, প্রশ্ন হল, শুনানির আগে এই হলফনামা জমা দেওয়া হল না কেন?
সুপ্রিম কোর্টে গত বুধবার ফের পিছিয়েছে I-PAC মামলার শুনানি। শুনানির আগে অবধি হলফনামা জমা দেয়নি ED। তারা যেভাবে সর্বোচ্চ আদালতে সময় চেয়েছে, তার নেপথ্য়ে রহস্য় খুঁজে পেয়েছেন অনেকেই। শুনানি পিছনোর পর, I-PAC মামলায় হলফনামা পেশ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যেখানে মুখ্য়মন্ত্রীর দাবির বিরোধিতা করেছে তারা। ৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে আইপ্য়াক মামলার শুনানির আগে, মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় সুপ্রিম কোর্টে যে হলফনামা দেন, সেখানে দাবি করা হয়, মুখ্য়মন্ত্রী বিনীতভাবে ED-র অফিসারদের কাছে দল সংক্রান্ত তথ্য় নেওয়ার অনুমতি চান। উপস্থিত ED অফিসাররা তাতে আপত্তি করেননি এবং তাঁকে (মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়) ফাইল এবং ডিভাইস নেওয়ার অনুমতি দেন। তা করার পর, ED অফিসারদের অসুবিধা না করে, সেখান থেকে বেরিয়ে যান মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তার অনেকক্ষণ পর অবধি তথাকথিত এই তল্লাশি চলে।
এবার ED তাদের হলফনামায় দাবি করেছে, নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী যে নথিগুলি নিয়ে গেছেন সেগুলি যে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসেরই ছিল, নাকি সেখানে কয়লাপাচার মামলার নথিও ছিল সেসম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই। তল্লাশির সময় স্পষ্টত ক্ষমতা এবং শক্তি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বারবার বারণ করা সত্ত্বেও তিনি নথি নিয়ে যান। তেসরা ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর হলফনামার জবাব দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে সময় চেয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি।























