Enforcement Directorate : ঘণ্টায় ঘণ্টায় লাফিয়ে বাড়ছে উদ্ধার হওয়া টাকার অঙ্ক, এখনও খোঁজ ১২ কোটির, চলছে গণনা
Kolkata News : গার্ডেনরিচে উদ্ধার হওয়া টাকার পাহাড় নিয়ে যেতে আনা হয়েছে ১০টি ট্রাঙ্ক ভর্তি ট্রাক!

আবির দত্ত ও সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : কার্যত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে টাকার অঙ্ক। ৮ ঘণ্টা তল্লাশির শেষে উদ্ধার হয়েছে ১২ কোটি টাকা। সরকারিভাবে বার্তা দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এখনও পর্যন্ত টাকা গোনা চলছে। গার্ডেনরিচে উদ্ধার হওয়া টাকার পাহাড় নিয়ে যেতে আনা হয়েছে ১০টি ট্রাঙ্ক ভর্তি ট্রাক!
কলকাতায় ফের যকের ধন
ফের কলকাতায় টাকার পাহাড়, এবার গার্ডেনরিচে যকের ধন উদ্ধার হয়েছে। ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়িতে সাতসকালে হানা দেয় ইডি। প্রথমে সেখানে কোনও টাকা থাকার কথা অস্বীকার করা হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশিতে খাটের নিচ থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু প্যাকেট। সেই প্যাকেট খুলতেই বেরিয়ে আসে বান্ডিল বান্ডিল ৫০০ ও ২ হাজার টাকারো নোটের বান্ডিল।
বিপুল পরিমাণ অর্থ গুণতে ব্যাঙ্ক থেকে নিয়ে আসা হয় আটটি টাকা গোনার যন্ত্র। যারপর একদিকে তল্লাশি ও অন্যদিকে টাকা গোনার কাজ চলতে থাকে একইসঙ্গে। ৮ ঘণ্টা তল্লাশির শেষে ইডি-র পক্ষে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, এখনও উদ্ধার হওয়া টাকার অঙ্ক ১২ কোটি টাকা। পাশাপাশি এখনও চলছে টাকা গোনার কাজ।
মোবাইল গেমিং অ্যাপ সংক্রান্ত প্রতারণার অভিযোগ
মোবাইল গেমিং অ্যাপ সংক্রান্ত প্রতারণার অভিযোগে চলছে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে ইডির তরফে জানানো হয়। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ৬৫ থেকে ৭০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ। বেআইনি লেনদেনের মামলায় একযোগে কলকাতার ৬ জায়গায় ইডির তল্লাশি চালায়। গার্ডেনরিচ ছাড়াও মোমিনপুর, পার্ক স্ট্রিট, নিউটাউন-সহ ৬ জায়গায় অভিযান। যে অভিযানের ৮ ঘণ্টা পরে উদ্ধার ১২ কোটি টাকা। আরও কত টাকা লুকনো রয়েছে সাদামাটা বাড়ির আড়ালে, তা জানতে চলছে তল্লাশি ও টাকা গোনা।
কীভাবে প্রতারণা ?
মোবাইল গেমিং অ্যাপে কীভাবে ফাঁদ পেতেছিল প্রতারকরা? অভিযোগ, প্রতিদিন ৩-৪ হাজার টাকা জেতার অফার দেওয়া হত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের। অনলাইন লটারির মাধ্যমে খেলায় টাকা জেতানোর নামে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হয়। শুরুতে কমিশনের ভিত্তিতে পুরস্কার দিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে প্রতারকরা। কমিশনের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্কে ঢুকে যাচ্ছিল। এরপর ফাঁদে পা দিয়ে অ্যাপ ব্যবহারকারীরা বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করা মাত্রই টাকা তোলার অপশন বন্ধ করে দিয়ে সার্ভারের সব অ্যাডমিন ও অ্যাপ্লিকেশন ডিটেল মুছে দেওয়া হয়। এভাবে প্রায় ৬৫-৭০ কোটি টাকা বাজার তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ।






















