Ghatal Flood: প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন স্কুলে, ক্লাসরুমে ঘুরছে বিষধর সাপ, ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘাটালে
ঘাটালে বাড়ছে বন্যার জল, শিলাবতী ও ঝুমি নদীর জল বেড়ে জলমগ্ন ঘাটাল ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে শুরু করে একাধিক পৌর ওয়ার্ড, জল ঢুকেছে একাধিক স্কুলে বন্ধ পঠন পাঠন

কলকাতা: নিম্নচাপের বৃষ্টি সঙ্গে জলাধার থেকে ছাড়া জলে জল বেড়েছে শিলাবতী নদীতে। নদীর জলে প্লাবিত ঘাটাল শহর এবং গ্রামীণ নিচু এলাকা ডুবেছে রাজ্য সড়ক। জলে ডুবেছে রাস্তাঘাট চাষের জমি কোথাও জল পেরিয়ে চলছে নৌকো ডিঙির মাধ্যমে যাতায়াত।
ঘাটালে বাড়ছে বন্যার জল, শিলাবতী ও ঝুমি নদীর জল বেড়ে জলমগ্ন ঘাটাল ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে শুরু করে একাধিক পৌর ওয়ার্ড, জল ঢুকেছে একাধিক স্কুলে বন্ধ পঠন পাঠন। ক্লাস রুমের ভেতর ঘোরাঘুরি করছে বিষধর সাপ, ছবি ধরা পড়ল ক্যামেরায়। এই ছবি সামনে আসতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
সামনেই পুজো তার আগে বানভাসী ঘাটাল এলাকার মানুষজন। জলমগ্ন পরিস্থিতি ঘাটাল জুড়ে জলে ডুবেছে রাস্তা ঘাট, জল পেরিয়ে চলছে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত। ইতিমধ্যেই ঘাটাল পৌরসভার এক থেকে দশটি ওয়ার্ডে জল ঢুকেছে, ঘাটাল পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ড আড়গোড়া এলাকায় রাজ্য সড়ক প্লাবিত হয়েছে, সারি সারি দোকান ডুবেছে জলে এবং ঘাটাল ব্লকের অজবনগর ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত সহ বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। যদি আরো বৃষ্টি হয় তাহলে দুর্ভোগ বাড়বে এমনই দাবি ঘাটালবাসীর।
ঝাড়খণ্ডের জলে প্লাবিত ফরাক্কার নিশিন্দ্রা কাটান এলাকা, বিচ্ছিন্ন দুই রাজ্যের যোগাযোগ। নদীর জল উপচে রাস্তার ওপর দিয়ে বইছে, বন্ধ যান চলাচল। রাস্তার দু’দিকে দাঁড়িয়ে প্রচুর যানবাহন, ভোগান্তি যাত্রীদের। ঝাড়খণ্ডের ৮০ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে ফরাক্কার ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
অন্যদিকে, DVC-র জল ছাড়ার ফলে প্লাবিত হয়েছে খানাকুলের নিচু এলাকাগুলি। খানাকুল ১, জগৎপুর, মাড়োখানা, ধান্যঘড়ি পঞ্চায়েতের বেশকিছু গ্রামে ঢুকতে শুরু করেছে নদীর জল। বেশকিছু এলাকায় একতলা বাড়ি পুরোপুরি জলের তলায়। বাড়ি থেকে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নৌকা। তার মধ্য়েই বসবাস করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
এদিকে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ভেঙে পড়ে থাকার পর মাস ছয়েক আগে কুয়ে নদীর উপর নতুন করে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিনে লাগাতার বৃষ্টিতে নতুন বাঁধ ভেঙে কয়েকশো বিঘা জমি জলের তলায় এবং একাধিক গ্রামে জল ঢুকতে শুরু করেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই জায়গায় এর আগেও একাধিকবার বাঁধ।ভেঙে ছিল। গত ৬মাস আগে সেচ দফতর এই বাঁধ মেরামত করে। তার পরেই বৃহস্পতিবার তা ভেঙে যায়।
গত কয়েক দিনের লাগাতার বৃষ্টি এবং বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ার জেরে বীরভূমের এজাধিক নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। তার জেলা বৃহস্পতিবার লাভপুর বিধানসভার ঠিবা পঞ্চায়েতের খাঁপুর গ্রামের কাছে প্রায় ৫০ মিটার বাঁধ ভেঙে যায়। ক্রমশ বাড়ছে ভাঙনের পরিমাণ। বাঁধ ভেঙে নদীর জল হু হু করে ঢুকে পড়ছে বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঁধ নির্মাণের সময়ই কাজের মান এবং বাঁধের নির্মাণ পদ্ধতি নিয়ে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছিল। এমনকি বাঁধটি আরও সোজা ও শক্তভাবে নির্মাণ করার জন্য এলাকার কৃষকেরা প্রয়োজনে নিজেদের জমি দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, সেই দাবি গুরুত্ব পায়নি। শেষ পর্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণের কারণেই ফের বাঁধ ভেঙে পড়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের।
Before You Go
Chorbagan Durga Puja Stampede | চোরবাগানে সর্বজনীনের মণ্ডপে মৃত্যুমিছিল!























