Durga Puja 2026: ভাসানের পরে জল থেকে তুলে আনা হয় কাঠামো, ৪০০ বছর ধরে চলে আসছে এই দুর্গাপুজো
District Durga Puja: আজ থেকে প্রায় ৪০০ বছর আগে ঘোষ পরিবারের দুই পূর্বপুরুষ তিলকরাম ঘোষ ও ঊমাচরণ ঘোষ দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে সূচনা করেছিলেন পুজোর

কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: ৪০০ বছর ধরে, ঘোষ বাড়িতে একই কাঠামোয় পূজিত হন দেবী। নবমীর দিন এই পুজোয় হয় মহিষ বলি। আজও কাঁধে করে দেবীকে দামোদরে নিয়ে যাওয়া হয় ভাসানে। এই পুজোয় অন্নভোগ হয় না। দেবীকে লুচি ও বিভিন্ন রকমের পদ দেওয়া হয় ভোগে। পূর্ব বর্ধমানের ইদিলপুরের ঘোষ পরিবারের এই পুজো দেখতে এখনও প্রচুর মানুষ আসেন। তবে সময় বদলেছে, এখন আর ৪০০ বছর আগের সেই জাঁকজমক নেই। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সাবেকিয়ানা আর রীতিনীতি বজায় রেখে এখানে পূজিত হন দেবী দুর্গা।
স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয় পুজো
আজ থেকে প্রায় ৪০০ বছর আগে ঘোষ পরিবারের দুই পূর্বপুরুষ তিলকরাম ঘোষ ও ঊমাচরণ ঘোষ দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে সূচনা করেছিলেন পুজোর। আজও সেই সাবেকিয়ানা আর রীতিনীতি বজায় রেখে দেবী পূজিত হন ঘোষ পরিবারে। তবে এই পরিবারের রয়েছে এক বিশেষ রীতি, প্রতিমা ভাসান দেওয়া হলেও বদলানো হয় না কাঠামো। ভাষণের পর সেই কাঠামো আবারও তুলে এনে রাখা হয় মন্দিরে। পরের বছর রথের দিন কাঠামোয় মাটি দেওয়া থেকে সূচনা হয় পুজোর প্রস্তুতির।
ভাসানের পরে, জল থেকে ফের তুলে আনা হয় কাঠামো
পুজো শুরুর প্রথম দিন থেকে একই কাঠামোয় পূজিত হচ্ছেন দেবী। কাঠামো মেরামত করা হলেও পরিবর্তন করা হয় না। দামোদর নদ থেকে ঘট উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় পুজো। নিয়ম মেনে প্রতি বছর নবমীতে হয় মহিষ বলি। স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন করেছিলেন ঘোষ পরিবারের দুই পূর্বপুরুষ। আজও সেই একই রীতিনীতি মেনে চলছে পুজো। পরিবারের সদস্যা গীতা ঘোষ জানান, প্রতি বছর দামোদর নদ থেকে পালকি করে ঘট উত্তলনের মাধ্যমে দেবীর পুজা শুরু হয়। দেবীর ভাসানও হয় দামোদর নদে। প্রতি বছর কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া হয় দেবীকে। ভাসানের পরের দিন, আবার কাঁধে করে কাঠামো তুলে এনে রাখা হয় মন্দিরে। সারা বছর শনি, মঙ্গলবারে পুজো করা হয় দেবীর। এমনকি বংশ পরম্পরায় একই পরিবার থেকে ঢাকি আসেন এই পুজোয় ঢাক বাজাতে।
পুজোয় হয় না অন্নভোগ
এখানে পুজোয় হয় না অন্নভোগ। দেবীকে ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় লুচি ও বিভিন্ন রকমের পদ। সপ্তমী ও অষ্টমীতে হয় ছাগ বলি এবং নবমীতে মহিষ, ছাগ, ভেড়া, ছাঁচি কুমড়ো ও আখ বলির প্রথা রয়েছে ঘোষ পরিবারে।পরিবারের সদস্যা কাকলি ঘোষ জানান, সারা বছর বাইরে থাকলেও, পুজোতে সবাই বাড়িতে আসেন। একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, মজা করে কাটে সময়। পুজোর ৪ দিন, পরিবারের সদস্যরা মিলে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: Dev-Subhasree: দেবের পাঠানো প্রথম মেসেজেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম.. কোন ঘটনার কথা বললেন শুভশ্রী?
Before You Go
Suvendu Adhikari: একমঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী-তন্ময় ভট্টাচার্য, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে উদ্বোধনে অবাক করা ছবি






















