Hiraan Chatterjee: বিবাহ-বিতর্কে আগাম জামিন পেলেন হিরণ, অভিযোগ দায়ের করেছিলেন প্রথম স্ত্রী
Hiraan Chatterjee Bail: হিরণের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

কলকাতা: বিবাহ-বিতর্কে আগাম জামিন পেলেন অভিনেতা তথা বিজেপি-র তারকা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। প্রথম পক্ষের স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেলেন তিনি। হিরণের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। (Hiraan Chatterjee Bail)
হিরণের দ্বিতীয় বিয়ের ছবি সামনে আসতেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্য়ায়। সেই মামলাতেই আগাম জামিন পেলেন বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা। আদালত জানিয়েছে, ১৫ দিন অন্তত একবার করে তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দিতে হবে হিরণকে। (Hiraan Chatterjee)
নতুন বছরের শুরুতেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন হিরণ। জানুয়ারি মাসে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করা হয়, যাতে ঋতিকা গিরি নামের এক তরুণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে দেখা যায় তাঁকে। বারণসীতে তাঁরা সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন বলে জানা যায়। আর সেই ছবি সামনে আসতেই হইচই শুরু হয়ে যায়। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদ না হওয়া সত্ত্বেও কী ভাবে দ্বিতীয় বার বিয়ে করতে পারেন হিরণ, ওঠে প্রশ্ন।
এর পর সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা এবং তাঁদের কন্যা। অনিন্দিতা জানান, দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য তাঁদের। এখনও বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি তাঁদের। সমাজমাধ্যম থেকেই হিরণের বিয়ের কথা জেনেছেন তাঁরা। অনিন্দিতা আরও জানান, ঋতিকার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে একাধিকবার হিরণকে জিজ্ঞাসা করলেও, তা উড়িয়ে দেন হিরণ, মেয়েটি তাঁকে ব্ল্য়াকমেল করছে বলে দাবি করেন।
এর পর ঋতিকার তরফেও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি লেখা পোস্ট করা হয়। তিনি জানান, অনেক আগেই অনিন্দিতাকে বিবাহবিচ্ছেদের নোটিস পাঠান হিরণ। হিরণের সঙ্গে অনেক দিন আগেই তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেন ঋতিকা। কিন্তু তাঁর ওই পোস্ট ঘিরে বিতর্ক আরও চরমে ওঠে। হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী, প্রথম বিয়েতে ইতি না টেনে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমোদন নেই। তাই বিধায়ক হিরণ কী করে সেই আইন লঙ্ঘন করলেন, প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। হিরণের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবিও ওঠে। সেই আবহে নিজের পোস্টটি মুছে দেন ঋতিকা।
সেই আবহেই পুলিশের দ্বারস্থ হন অনিন্দিতা। সেই মতো হিরণের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়। প্রথম পক্ষের স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিয়ে, গার্হস্থ্য হিংসা-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় হিরণের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতেই আগাম জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন হিরণ। শুনানি যাতে দ্রুত হয়, সেই মর্মে আবেদন জানান হিরণের আইনজীবী। হিরণ যে বিধায়ক, তাঁর রাজনৈতিক দায়দায়িত্ব আছেন বলে জানানো হয় আদালতে।
























