Humayun Kabir : নন্দীগ্রামে বিজেপিই জিতবে ! বলে দিলেন হুমায়ুন, রেজিনগরে হাওয়া কোনদিকে? বিধায়ক বললেন ...
নির্বাচন ঘোষণা হতেই হুমায়ুনের পূর্বাভাস, ' মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে, এই যে প্রচণ্ড তৃণমূল বিরোধী হাওয়া বা বিজেপিকে ভোট দেওয়ার যে একটা প্রবণতা ...

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী , কলকাতা : নন্দীগ্রামে বিজেপিই জিতবে - উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই বলে দিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবীর। আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যে দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর এই দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ঘোষণা করেছে কমিশন। ২০২৬ বিধানসভা ভোটে দুটি করে কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও হুমায়ুন কবীর। দুজনেই দুটি করে কেন্দ্রেই জয়লাভ করেন। কিন্তু সংবিধানের নিয়ম অনুসারেই একটি করে কেন্দ্র ছেড়ে দিতে হয় তাঁদের। এখন সেই দুই ছেড়ে দেওয়া কেন্দ্র, নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে হবে উপনির্বাচন।
নির্বাচন ঘোষণা হতেই হুমায়ুনের পূর্বাভাস, ' মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে, এই যে প্রচণ্ড তৃণমূল বিরোধী হাওয়া বা বিজেপিকে ভোট দেওয়ার যে একটা প্রবণতা, সেখানে অটোমেটিক্যালি টোয়েন্টি-নাইন পার্সেন্ট হিন্দু ভোটার ...তাহলে সেভেন্টি-ওয়ান পার্সেন্ট মুসলিম ভোটার, তো ওঁরা যখন হিন্দু হিন্দু করবেন, আমাকে তো আমার মুসলিম মুসলিম ভাইদেরকে বলতেই হবে। নন্দীগ্রামে বিজেপি জিতবে। ভালোভাবেই জিতবে, আমার যা ধারণা। ' গত বিধানসভা ভোটে রেজিনগরের সঙ্গে নওদা আসনেও লড়াই করেছিলেন হুমায়ুন কবীর । বিজেপিকে হারিয়ে রেজিনগরে জেতেন ৫৮ হাজার ৮৭৬ ভোটে । তিনিই এখন বলছেন এই কথা।
নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, এই ২ টি আসন থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ওই দুই আসনেই ভোটে জেতেন। নন্দীগ্রাম আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র করকে ৯ হাজার ৬৬৫ ভোটে হারান বিজেপি প্রার্থী। অন্যদিকে, ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারী, ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে হারান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী, দু'টি আসনের মধ্যে একটি ছাড়তে হত। সেই কারণে, নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। এবং ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন। নিয়ম অনুযায়ী, দু'টি আসনের মধ্যে একটি ছাড়তে হত। সেই কারণে, নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। এবং ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন। ফলে নন্দীগ্রামে ভোট করতে হবে ফের। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও সেখানকার ভোটার। উপনির্বাচনের আগে দাবি করলেন, 'নন্দীগ্রামের মানুষ বলছে ফলতার মার্জিনও টপকে যাবে। '
অন্যদিকে রেজিনগরে আসনটি ছেড়ে দিয়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবীর। সেখানে কে ভোটে লড়বে , তা জানাননি তিনি। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে , এই দুটি বিধানসভা কেন্দ্রেই পুজোর আগে, ৬ অক্টোবার উপনির্বাচন হবে। ৯ অক্টোবার হবে গণনা। অর্থাৎ উপনির্বাচনের পাট চুকছে পুজোর আগেই। আর পুজো পেরলেই ঢাকে কাঠি পড়বে পুরভোটের।
Before You Go
Hangla Hesel: ১০০টি আবাসনে ঘুরে ঘুরে ভোগের স্বাদ চেখে দেখবে টিম 'হ্য়াংলা হেঁশেল'






















