Jalpaiguri News: পিকআপ ভ্যান উল্টে মৃত ৩, আহত ২২, ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ডুয়ার্সের নাগরাকাটায়
Jalpaiguri Road Accident: ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ডুয়ার্সের নাগরাকাটায়

রাজা চট্টোপাধযায়, জলপাইগুড়ি: ডুয়ার্সের নাগরাকাটায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা। শ্রমিক বোঝাই পিকআপ ভ্যান উল্টে মৃত ৩। আহত ২২। নাগরাকাটা ব্লকের গাঠিয়া চা বাগান সংলগ্ন জাতীয় সড়কে সোমবার ভোরে ঘটেছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। খেরকাটা গ্রাম থেকে গাঠিয়া চা বাগানে কাজে যাওয়ার পথে শ্রমিক বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিনজনের। নিহতরা হলেন মনীষা নাজিয়া (১৮), সুন্দর মাঝি (২৫) এবং মন খালকো (২৬)।
আরও পড়ুন, ফের গ্রেফতার জীবনকৃষ্ণ সাহা ! বড়ঞার TMC বিধায়ককে গাড়িতে তুলে বেরিয়ে গেল ED
গুরুতর আহত হন আরও ২২ জন শ্রমিক, আহতদের প্রথমে নাগরাকাটা শুল্কাপাড়া গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১২ জনকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নাগরাকাটার বিডিও পঙ্কজ কোনার ও আইসি কৌশিক কর্মকার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে পণ্যবাহী একটি পিকআপ ভ্যানে ২৫ থেকে ২৭ জন শ্রমিককে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ? স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে।
সম্প্রতি আরও একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল সল্টলেকে। সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাপ বাইকে ধাক্কা মেরেছিল বেপরোয়া গাড়ি। আগুন লেগে যাওয়ায় ঝলসে মৃত্যু হয়েছিল বাইক চালকের। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তরুণকে বাঁচানোর আগে দুর্ঘটনাস্থলের ছবি তুলছিল পুলিশ। পরিবার অভিযোগ করতে চাইলেও পুলিশ নেয়নি। যদিও পুলিশ জানিয়েছিল, সমস্ত অভিযোগই খতিয়ে দেখা হবে।
ভয়ঙ্কর ছবি,দেখে শিউড়ে ওঠার মতো! বুধবার সল্টলেকে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন এক অ্য়াপ বাইক চালক!ফুটেজে দেখা যাচ্ছিল, প্রথমে একটি বাইক এসে দাঁড়াল। তাতে দু'জন বসে। এরপর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল আরেকটি বাইক। তাতেও দুজন বসে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্য়ে ঝড়ের গতিতে একটা গাড়ি প্রায় উড়ে এসে দুটো বাইকে সজোরে ধাক্কা মেরে আরোহীদের টেনে হিঁচড়ে নিয়ে বেরিয়ে যায়। ছিটকে পড়েন কাতরাতে থাকেন আরোহীরা। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, এরপরই গাড়িতে আগুন ধরে যায়। এই আগুনেই জীবন্ত ঝলসে মৃত্য়ু হয়েছিল । দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালির বাসিন্দা, অ্য়াপ বাইক চালক সৌমেন মণ্ডলের।
মৃতের পরিবারের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর তরুণকে দ্রুত উদ্ধারের বদলে ভিডিও করতে ব্যস্ত ছিল পুলিশ। দমকলও দেরিতে আসে বলে অভিযোগ। মৃতের দাদা প্রসূন মণ্ডল বলেন, পাক্কা এক থেকে দেড়ঘণ্টা পরে দমকল আসে। তখন আমার ভাইয়ের গায়ে আগুন লাগেনি। কিন্তু পুলিশ চেষ্টা করেনি, পুলিশ কী করেছে, নিজের ফোনটা বার করে ক্যাপচার করছে। যদি আমার ভাইটাকে নামানোর চেষ্টা করত, যদি দমকলে ফোনটা করত, তাহলে ভাই হয়তো...ক্ষতি হত কিন্তু বেঁচে থাকত। এর পাশাপাশি আরও অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবার।






















