Jalpaiguri News: ধূপগুড়িতে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন, যুবককে ফাঁসির সাজা শোনাল POCSO কোর্ট
Dhupguri Case: ২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ি ব্লকের একটি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

রাজা চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি: নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা। জলপাইগুড়ির POCSO আদালত ফাঁসির সাজা শোনাল দোষী সাব্য়স্ত যুবককে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিবেশী নাবালিকাকে অপহরণ করে ওই যুবক। ধর্ষণের পর খুন করে বালিকার দেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয় সে। এতদিন ধরে সেই মামলায় সওয়াল-জবাব চলছিল। শেষ পর্যন্ত বুধবার ওই যুবককে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত। (Jalpaiguri News)
২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ি ব্লকের একটি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ওই দিন বিকেলে বাড়ির সামনে খেলছিল মেয়েটি। কিন্তু সেখান থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। এর পর রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েটির খোঁজ মেলেনি। পর দিন ধূপগুড়ি থানায় মেয়ে নিখোঁজ বলে ডায়েরি করে পরিবার। এর তিনদিন পর, ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে, ডুডুয়া নদীর পাড়ে, এক কোণে বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয় একটি। সেটি খুলতে ফোলা একটি দেহ দেখা যায়। জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে দেহটি নিয়ে যাওয়া হলে, সেখানে মেয়েটির দেহ শনাক্ত করে পুলিশ। (Dhupguri Case)
তদন্তে নেমে মোট ১৬ জন সাক্ষী জোগাড় করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। আর তাতেই ওই ব্যক্তিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়।ওই ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়ে নাবালিকার জলের বোতলও উদ্ধার করে পুলিশ। এর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর পর জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। জানা যায়, খেলার সময় মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যায় ওই ব্যক্তি। এর পর মেয়েটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় সে।
এদিন ওই যুবককে POCSO আদালতে তোলা হয়। সেখানে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় তাকে। ধৃতের ফাঁসির সাজায় খুশি মেয়েটির পরিবার। জানা গিয়েছে, নদী থেকে বস্তাবন্দি দেহটি যখন উদ্ধার হয়, সেই সময় চিহ্নিতই করা যায়নি। দেহটি এমন ভাবে ফুলে গিয়েছিল যে, দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে যান অনেকে। মর্গে গিয়ে শেষ পর্যন্ত মেয়ের দেহ শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন। গোড়া থেকেই কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন তাঁরা।
ওই নাবালিকা পঞ্চম শ্রেণিতে পাঠরত ছিল। যে ব্যক্তিকে সাজা শোনাল আদালত, সে মেয়েটির প্রতিবেশী ছিল। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। এতদিন পর সেই মামলায় সাজা ঘোষণা হল। মেয়েকে আর ফিরে পাবেন না। দোষীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা হওয়ায় খুশি পরিবার এবং গ্রামের সকলে।






















