Anandapur Fire: নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুমিছিল, গতকাল সন্ধে পর্যন্ত ২১টি দেহাংশ উদ্ধার ! আজ ময়নাতদন্ত
Anandapur Fire Update: নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুমিছিল, গতকাল সন্ধে পর্যন্ত ২১টি দেহাংশ উদ্ধার, পরিচয় জানতে শুরু হয়েছে DNA টেস্টের প্রক্রিয়া

ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা: নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুমিছিল, গতকাল সন্ধে পর্যন্ত ২১টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে ১৬টি দেহাংশের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া গতকাল শেষ হয়েছে। এবং সেই দেহাংশগুলি মোমিনপুর যে মর্গ রয়েছে, সেখানে সংরক্ষিত করা হয়েছে। আজকে আরও ৫ দেহাংশের ময়নাতদন্ত হবে। এছাড়া যাদের রক্তের নমুনা গতকাল সংগ্রহ করা হয়েছিল, ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবে পাঠানো হবে।
আগুন লাগার ৩ দিন পরেও বাতাসে পোড়া গন্ধ! ওয়াও মোমো, নিউ পুষ্পাঞ্জলি নার্সারি প্রাইভেট লিমিটেডের ভস্মীভূত গোডাউন থেকে মিলছে দেহাংশ। দেহগুলির পরিচয় জানতে শুরু হয়েছে DNA টেস্টের প্রক্রিয়া। অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজদের আত্মীয়রা ভিড় জমিয়েছেন আনন্দপুরের নাজিরাবাদে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছেনিউ পুষ্পাঞ্জলি নার্সারি প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক গঙ্গাধর দাসকে।অনিচ্ছাকৃত খুন, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য় ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গঙ্গাধর দাসের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট বেঙ্গল ফায়ার সার্ভিস অ্য়াক্টেও মামলা রুজু করা হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গঙ্গাধর দাসের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোম,মঙ্গল,বুধ,তিনদিনই মৃত্য়ুপুরী এই গোডাউন থেকে উদ্ধার হয়েছে দেহ, দেহাংশ। কিন্তু সেই দেহাংশর নমুনা সংগ্রহ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দেহাংশর নমুনা সংগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যেভাবে বস্তা করে মোমিনপুরের মর্গে ঢোকানো হয়েছে, ২ টো বস্তায় কোনও চেনার উপায় ছিল না। সেই পদ্ধতিটা কি ঠিক? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ অজয় গুপ্ত বলেন, ধোপার বাড়ির কাপড়ের মতো একটা প্য়াকেটে জামাকাপড় রাখলে কি বোঝা যায়, কোনটা কার প্য়ান্ট, কার জামা। উচিত ছিল, যেখানে যা রাখা ছিল, আলাদা প্য়াকেট করা উচিত ছিল। মেশিন ঠিকঠাক নিতে পারবে কিনা... বাড়ির লোকের স্য়াম্পলের সঙ্গে নির্দিষ্ট আইটেম মেলাতে সুবিধা হবে। অনভিজ্ঞতা তো বটেই। এটা কেউ কোনওদিন করেছে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ অরিন্দম চক্রবর্তী বলেন, যদি আলাদা করে, হাড়গুলো আলাদা করলে, কোন মানুষের কোনটা বোঝা সম্ভব। অর্ধদগ্ধ হাড় আলাদা করে রাখলে ভাল। এটায় খাটনি বাড়বে। যখন আলাদা করতে হবে dna, সব তো মিশে গেছে। প্রত্য়েকটা হাড়ের সঙ্গে সবকটা বাড়ির লোকের DNA মেলাতে হবে। নিহতদের ময়নাতদন্ত হচ্ছে মোমিনপুরে কলকাতা পুলিশ মর্গে।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে দাবি, উদ্ধার হওয়া দেহ এবং দেহাংশের মধ্যে থেকে একজনকেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়ছে। যেটি উদ্ধার হয়েছে মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গোডাউন থেকে। বুধবার, বাকি দেহাংশগুলির মধ্য়ে কয়েকটির ময়নাতদন্ত হয়েছে। বাকিগুলির ময়নাতদন্ত হবে বৃহস্পতিবার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে দাবি, অজ্ঞাত পরিচয় দেহাংশ হিসেবেই ময়নাতদন্ত হচ্ছে। DNA পরীক্ষা ছাড়া কার দেহ কোনটি, বোঝা অসম্ভব। অন্য়দিকে, মোমিনপুর পুলিশ মর্গ থেকে উদ্ধার দেহাংশের নমুনা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে স্টেট ফরেন্সিক ল্য়াবে।





















