SIR in Bengal: বেঁচে থেকেও সরকারি খাতায় গত, ‘মৃত’ শাবানাকে জীবিত করতে নির্দেশ হাইকোর্টের, SIR আবহে বড় জালিয়াতির পর্দাফাঁস
Kultali News: দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে।

কলকাতা: SIR আবহে সরকারি ভাবে 'মৃত'কে 'জীবিত' করার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। প্রায় ছ’মাস ধরে সরকারি ভাবে ‘মৃত’ কুলতলির বাসিন্দা শাবানা লস্কর। ভুয়ো নথি দেখিয়ে গ্রামেরই এক বাসিন্দা শাবানার মৃত্যুর শংসাপত্র বের করেন বলে অভিযোগ। ফলে শাবানার বাকি সব পরিচয়পত্র বাতিল হয়ে যায়। সেই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। তাতেই ‘মৃত’ শাবানাকে জীবিত করতে নির্দেশ দিল আদালত। (Kultali News)
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, সরকারি খাতায় গত ছ'মাস ধরে মৃত বলে গণ্য হচ্ছিলেন শাবানা। কিন্তু জীবিত থেকেও কী করে মৃত হয়ে গেলেন শাবানা? গ্রামেক বাসিন্দা সাহাদুল লস্করের দিকে আঙুল উঠছে। শাবানার অভিযোগ, ভুয়ো নথি দিয়ে সাহাদুল তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট বের করে। ফলে সমস্ত পরিচয়পত্র বাতিল হয়ে যায়। (SIR in Bengal)
শাবানা জানিয়েছেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় হাতে পাননি SIR-এর ফর্মও। কোনও উপায় না দেখে শেষে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শাবানার পরিবারের লোকজন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে শাবানার ডেথ সার্টিফিকেট বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি, শাবানার সমস্ত পরিচয়পত্র পুনরায় সচল করতেও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।
এদিন আদালত জানায়, শাবানার ডেথ সার্টিফিকেট অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। তাঁর নামে থাকা যে ভোটার, আধার কার্ড এবং অন্যান্য পরিচয়পত্র বাতিল করা হয়েছিল, সচল করতে হবে সেগুলিকে। জানা গিয়েছে, গত ১৪ মে শাবানার ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করে গ্রাম পঞ্চায়েত। পরিবারের দাবি, শাবানার আধার কার্ডের নম্বর হাতিয়ে নিয়েছিল সাহাদুল। এর পর ভুয়ো নথি দেখিয়ে শাবানার ডেথ সার্টিফিকেট বের করে সে, যাতে মৃত্যুকালীন আর্থিক সুবিধা আদায় করতে পারে সরকারের কাছ থেকে। বিশেষ করে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের অধীনে প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা আদায় করতেই এই কাণ্ড ঘটায় সাহাদুল।
শাবানার পরিবারের দাবি, পুলিশের কাছেও বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি, তাই আদালতে আসতে হয় তাঁকে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানায়, শাবানা জীবিত রয়েছেন। ষড়যন্ত্রে সাহাদুলের হাত দেখতে পেয়েছেন তাঁরাও। ফলে শাবানা ও তাঁর পরিবার সঠিক অভিযোগই করেছেন। সাহাদুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন শাবানার পরিবারের লোকজন।






















