Malda: রণক্ষেত্র মালদা কলেজ ক্যাম্পাস, সংঘর্ষে জড়াল এবিভিপি-ছাত্র পরিষদ
Malda News: স্লোগান-যুদ্ধ শুরু হয় দু পক্ষ থেকেই। বহিরাগতদের এনে তাণ্ডব করেছে ছাত্র পরিষদ, এমনই অভিযোগ আনা হয়েছে ABVP-র পক্ষ থেকে।

মালদা: উত্তপ্ত কলেজ ক্যাম্পাস। ফের এমন ছবি ধরা পড়ল শিক্ষাঙ্গনে। মালদা কলেজে তুলকালাম পরিস্থিতি। এবিভিপি-ছাত্র পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মালদা কলেজ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে ছাত্র পরিষদের ডেপুটেশন ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল কলেজে। স্লোগান-যুদ্ধ শুরু হয় দু পক্ষ থেকেই। বহিরাগতদের এনে তাণ্ডব করেছে ছাত্র পরিষদ, এমনই অভিযোগ আনা হয়েছে ABVP-র পক্ষ থেকে। অন্য়দিকে, ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে যে কলেজের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করছে ABVP।
কিছুদিন আগেই শিরোনামে উঠে এসেছিল কসবার ল কলেজে। পতাকা খোলা ঘিরে এবিভিপি ও এসএফআইএর মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপরও কলেজে মুখোমুখি দুই সংগঠনের সদস্য ও সমর্থকরা বাদানুবাদ ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এবিভিপির পতাকা খোলার অভিযোগ এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে। এসএফআইয়ের পতাকা খোলার পাল্টা অভিযোগ আবার এবিভিপির বিরুদ্ধে। কলেজ ক্যাম্পাসের ঠিক মাঝখানে পুলিশ ছিল। একদিকে বিক্ষোভে বসেন এসএফআই সদস্য ও সমর্থকরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। আর এখানেই অভিযোগ ওঠে ডিম ছোড়া হয়েছে এসএফআইয়ের উপর।
এর আগে শিক্ষাঙ্গনে ঝামেলার ছবি উঠে এসেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তুলকালাম। ছাত্র সংসদ না থাকা সত্ত্বেও কেন জিবি মিটিং করা হল? এই প্রশ্ন তুলে প্রতিবাদ করতে যান AVBP সমর্থকরা। অভিযোগ, সেই সময় তাদের উদ্দেশে জাতিবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন SFI-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। এই ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। দেশবিরোধী কার্যকলাপ দেখা গেলে ফের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। ঘটনা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, 'পরিবর্তন হয়েছে, অনেক কিছুই হবে। ৬ মাস অপেক্ষা করুন। এটা ঠিক যে দাদাগিরি, দেশ বিরোধী কার্যকলাপ এগুলো করা যাবে না। তৃণমূল কংগ্রেস এদেরকে পুষে রেখেছিল, দেশবিরোধীদের। আমাদের লোকেরা ওখানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল। আমি বলেছিলাম যে এই দেশবিরোধী কিছু করা যাবে না। তখন SFI-এর অফিস ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। আবার যদি দেশবিরোধী স্লোগান ওঠে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে আবার।'
এবিভিপির তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছিল যে SFI ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা মারধরও করেন। আহত ২ এবিভিপি সমর্থককে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটবর্তী কেপিসি হাসপাতালে। এরপরই সেখানে যান যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় ও বিজেপি কর্মীরা। শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই যাদবপুর থানায় এসে ঝামেলা করে এবিভিপি সমর্থকরা। থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখান তারা। রাতেই একদল এবিভিপি সমর্থক ক্যাম্পাসের ভেতরে পরে। ঝামেলা বাড়ে তখন। এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পোস্টার, ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।























