Dalkhola News: স্কুলের ভিতরেই ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেফতার অস্থায়ী কর্মী
North Dinajpur News: শিক্ষাঙ্গনে ফের ভয়ঙ্কর অভিযোগ। স্কুলের ভিতরেই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ। অভিযুক্ত স্কুলেরই অস্থায়ী কর্মী।

সুদীপ চক্রবর্তী, উত্তর দিনাজপুর: স্কুলছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ। আর তাতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা। স্কুলেরই অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ। ক্ষোভে অভিযুক্তের দোকানে আগুন লাগিয়ে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শিক্ষাঙ্গনে ফের ভয়ঙ্কর অভিযোগ। স্কুলের ভিতরেই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ। অভিযুক্ত স্কুলেরই অস্থায়ী কর্মী। কসবার ল'কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়ের মধ্য়েই এবার স্কুলের মধ্য়ে যৌন নিগ্রহের চেষ্টার অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানার অন্তর্গত চাকুলিয়া ব্লকের একটি স্কুলে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ডালখোলা। মঙ্গলবার অভিযুক্তর দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা তাঁর বাড়ি। অভিযুক্ত মণীষ অধিকারীকে গ্রেফতার করেছে ডালখোলা থানা।
অভিযোগকারী ছাত্রীর মা জানিয়েছেন, "ও স্কুল থেকে বাড়ি গেছে সারাদিন কিছু বলেনি। সন্ধের পরে আমাকে বলেছ যে ডায়েরি আনতে গেছি, তখন একজন আছে মণীষ কাকা বলে, আমাকে ডায়েরি দিতে বলে আরেকজনকে বলে যে তুমি সিল দিতে পারবে না, ওর সঙ্গে আরেকজন বান্ধবী গেছিল ও দিতে পারবে, তুমি পারবে না দিতে। আমার মেয়ে দরজায় দাঁড়িয়েছিল, সেখানে আমার মেয়েকে জড়িয়ে ধরে ধরেছে। আমার মেয়ের কেঁদে বলছে ছাড়ো ছাড়ো। ছাড়ছে না । ভয় পেয়ে গেছে আমার মেয়ে।''
অভিযোগ, শুধু এই ছাত্রীই নয়। অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীর বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ তুলেছিল একাধিক ছাত্রীরা। ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, "মেয়েটার সঙ্গে আরও পাঁচ, ছয়জন মেয়ে বেরিয়ে এল। বলল ম্য়াম আমার সঙ্গেও এই ঘটনা ঘটেছে। বলছে ১৫ দিন আগে। বলছে তোমরা বাবা-মাকে বলোনি? বলছে না ভয়ে বলিনি কারণ আমাদের সকুলে আরও আসতে দেবে না। যে বলেছে তাকে আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম যে বাবু তোমার সঙ্গে কী হয়েছে? মেয়েটি আবার অন্য় এক ম্য়ামকে বলেছে। ম্য়াম বলেছে তোমার সঙ্গে আজকে হয়েছে, আরও ২,৪ বার হোক, তারপর তুমি তোমার বাবা-মাকে বলবে, সবাইকে নিয়ে আসবে তারপর আমরা তাঁকে শাস্তি দেব। এই স্কুলেরই ম্য়াম।''
স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দাবি, সোমবার সকুলের শিক্ষিকার কাছ থেকে তিনি এমন অভিযোগ পেয়েছেন, তারপরই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্য়বস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে এমন কোনও অভিযোগ উঠেছে বলে জানানো হয়নি। অন্য়দিকে, এই ঘটনায় অভিযুক্তকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি। তিনি বলেন, "আমাদের কালকে হাফ ডে ছিল স্কুলে। সহকারী হেডমাস্টার আর হেডমাস্টারকে আমি বলে যাই, ও আর স্কুলে আসবে না। আমরা তো স্কুলে ওকে রাখব না।''






















