Recruitment Scam: 'নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থর থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই গ্রেফতারি', সুজয়কৃষ্ণের গ্রেফতারের পর মন্তব্য শমীকের
Sujay Krishna Bhadra: এ প্রসঙ্গকে নিয়োগ দুর্নীতির 'গুরুত্বপূর্ণ' গ্রেফতার বলেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।

কলকাতা: প্রায় ১২ ঘণ্টা জেরার পর ইডির হাতে গ্রেফতার 'কালীঘাটের কাকু' সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (SujayKrishna Bhadra Arrested)। ইডি সূত্রে খবর, তথ্য গোপন, তদন্তে অসহযোগিতা করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিসে কাজ করা এই কর্মচারীকে।
এ প্রসঙ্গকে নিয়োগ দুর্নীতির 'গুরুত্বপূর্ণ' গ্রেফতার বলেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ''সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুখ এই নিয়োগ দুর্নীতিতে। কারণ তিনি ক্যামেরার সামনে বলেছিলেন আমার পর্যন্ত এসে তদন্ত থেমে যাবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেউ ছুঁতে পারবেন না। কারণ তিনি কারও সঙ্গে দেখা করেন না, কথা বলেন না। তিনি বলেছিলেন অভিষেকের কাছে ২০০৯ সাল থেকে কাজ করছেন। ওই অফিসের কর্মচারী তিনি। অথচ এই সুজয়কৃষ্ণ বিপুল সম্পত্তির অধিকারি। তিনটি সংস্থা তাঁর অঙ্গুলিহেলনে চলে। আজকের এই গ্রেফতার নিঃসন্দেহে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের থেকেও এই গ্রেফতার অনেকবেশি এগিয়ে রাখল নিয়োগ দুর্নীতির গ্রেফতারকে। একটা ঔদ্ধত্য, সীমাহীন দুর্নীতি ধীরে ধীরে শেষ হবে।'
সূত্রের খবর, কালীঘাটের কাকুর সামনেই অন করা হল বাজেয়াপ্ত করা মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনে থাকা তথ্য দেখিয়ে কালীঘাটের কাকুকে জিজ্ঞাসাবাদ, খবর ইডি সূত্রে। ৩ দফায় কালীঘাটের কাকুকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ ইডির গোয়েন্দারা। নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা লেনদেনে জড়িত সুজয়কৃষ্ণ, সন্দেহ ছিল ইডির। ৩টি সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করার সন্দেহ ইডির।
এদিন দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন কালীঘাটের কাকু, এমনটাই জানা গিয়েছে। কালো টাকা সাদা করার চক্রের সঙ্গে জড়িত কালীঘাটের কাকু, সন্দেহ ইডির। শুধু তাই নয়, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ৪০ লক্ষের লেনদেন সুজয়ের, চার্জশিটে দাবি ইডির। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এও বলা হয়, সহযোগিতা করুন শেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, অভিষেককে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের দিনই 'কাকু'র বাড়িতে ইডি হানা দিয়েছিল। কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। 'কালীঘাটের কাকু'র বেহালার বাড়ি-অফিসে ১৫ ঘণ্টা ইডির তল্লাশি। 'কালীঘাটের কাকু'র বাড়ি-ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি, ২টি ফোন, টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার গ্রেফতার 'কালীঘাটের কাকু'






















