Ritabrata on Abhishek: 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই সং আছে, গঠন নেই', তীব্র আক্রমণ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Ritabrata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসাবে চাইছেন বিরোধী বিধায়করা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, "সংগঠন? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই সং আছে, গঠন নেই।"

কলকাতা: ইতিমধ্যেই বিদ্রোহের আগুনে ছারখার তৃণমূল। যদিও যে ৫৮ জন বিধায়ক বিরোধী দল হিসাবে বিধানসভায় পৌঁছে গিয়েছে, তাঁরা যদিও বলছেন তাঁদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের পরিষদীয় দলের উপদেষ্টা হিসাবে চাইছেন। যদিও তাঁর মুখে তীব্র কটাক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে।
তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসাবে চাইলেও বলছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, "আমাদের পরিষদীয় দলের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূর দূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর নেই। উনি তো আমাদের পরিষদীয় দলের কেউ নন। আমাদের পরিষদীয় দলের ৩ ভাগের মধ্যে ২ ভাগ বিধায়ক এই দল ঠিক করে মাননীয় স্পিকারকে দিয়েছিলেন। মাননীয় স্পিকার তাতে সম্মতি জানিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমাদের পরিষদীয় দলের কোনও সম্পর্ক নেই। আর আমি তো আগেই বললাম, আমাদের গোটা নীতিই একসঙ্গে চলার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর একসঙ্গে চলা ১৮০ ডিগ্রি উল্টোদিকের দুটো শব্দ।"
তারপর আরও ঝাঁঝলো আক্রমণ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বললেন, "ওই যে বললেন সংগঠন? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই সং আছে, গঠন নেই।"
আরও পড়ুন: পয়লা বৈশাখ নয়, এবার ২০ জুন পালিত হবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসাবে, ঘোষণা দিলীপ ঘোষের
এ ছাড়াও এদিন তিনি আরও একাধিক ভাবে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "একটা তদন্ত চলছে, জিজ্ঞাসা চলছে। আমাকে ও সন্দীপন সাহাকে আগামিকাল জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিআইডি। কারণ, আমরা যা দেখেছি, যে যারা সেদিনের বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের নামও বড় হাতের অক্ষরে লেখা রয়েছে। আর সেই কারণেই তদন্ত চলছে। আগামিকাল আমাকেও ডাকা হয়েছে। সেই নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। কিন্তু ব্যাপারটা হল, ১৮ তম বিধানসভার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূর দূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। এবং লোকসভার সদস্য হিসাবে তিনি একটি জালি ডকুমেন্ট দিয়ে একটা চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এটা লোকসভার স্পিকারের বিশেষাধিকার, হাউসের প্রধান হিসাবে তিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কোনও নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসাবে এমন কিছু কেউ করলে, সেটা প্রমাণিত হলে বিধানসভার স্পিকারের মনে হলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভার সদস্যপদ বাতিল করার জন্য লিখতে পারেন।"






















