School Of Tropical Medicine Incident: 'চিকিৎসা করাতে গেছি, দাদাগিরি করতে যাইনি' পাল্টা দুর্ব্যবহারের অভিযোগ শ্রীময়ীর
Kolkata News: তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি একাধিক চিকিৎসক সংগঠনের

কলকাতা: চিকিৎসককে হুমকি বিতর্কে মুখ খুললেন কাঞ্চন-পত্নী শ্রীময়ী। চিকিৎসকের বিরুদ্ধেই পাল্টা দুর্ব্যবহারের অভিযোগে সরব হলেন শ্রীময়ী চট্টরাজ মল্লিক। তাঁর বক্তব্য, 'বৃদ্ধাকে নিয়ে চিকিৎসা করাতে গেছি, দাদাগিরি করতে যাইনি'। ফেসবুক পোস্টে কাঞ্চন পত্নীর অভিযোগ, উনি আমাদের হ্যারাস করে, নিজেই ইনিয়ে বিনিয়ে গল্প করেছেন।
তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রীর দিদিমার ত্বকের চিকিৎসার জন্য যাওয়া হয় স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে। আর সেউ সরকারি হাসপাতালে ঢুকে সস্ত্রীক কাঞ্চন মল্লিকের 'দাদাগিরি'- র অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ আউটডোরে ভিড় থাকায় মেজাজ হারিয়ে বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন তৃণমূল বিধায়ক। কাঞ্চনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রধানকে বদলির হুঁশিয়ারির অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসকের নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর জানতে চান বলেও অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। আর এবার পাল্টা চিকিৎসকের বিরুদ্ধেই দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন কাঞ্চন মল্লিকের স্ত্রী। ফেসবুকে একটা ভিডিও পোস্টে উল্লেখ করেছেন, "কাঞ্চন যখন বলল আপনি এত উত্তেজিত হয়ে পড়ছেন কেন, আপনি কি কোনও কারণে ডিস্টার্বড? তাতে উনি বলছেন আমি দিনে দু হাজার রোগী দেখি। মিথ্যে কথা বলে ক্যামেরার সামনে অভিনয় করে প্রেসের সামনে কথা বলছেন। যেসব জুনিয়র ডাক্তাররা কথা বলছেন! তাঁরা কোথায় ছিলেন? চিকিৎসকের মেন্টাল প্রবলেম যে উনি চিৎকার করবেন, কোন পরিস্থিতিতে কথা বলছেন আমি জানি না। আমার জানার প্রয়োজনও নেই। নিজের ভুল ঢাকতে প্রেসের কাছে ইনিয়ে বিনিয়ে নাটক করা। আমার দিদার ৮৬ বছর বয়স। উনি চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। আমাদের সঙ্গে যদি এমন ব্যবহার করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে জানি না। ওঁকে নিয়ে দাদাগিরি করতে যাব এমন মানসিকতা নেই। ওঁর ইনসুলিন আর ওষুধ চলবে কিনা সেটা জানতে গিয়েছিলাম। সেখানে এত খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হল, সেটা আমাদের কাছে দুর্ভাগ্যজনক।''
স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে বিভাগীয় প্রধানকে কাঞ্চন মল্লিকের হুমকির অভিযোগে কলকাতা সিপির কাছে নালিশ জানানো হয়েছে। কলকাতা সিপির কাছে ট্রপিক্যাল মেডিসিনের ডিরেক্টরের অভিযোগ জানিয়েছেন। ঘটনায় ডিসি সেন্ট্রাল মারফত বউবাজার থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লালবাজার। এই ঘটনার পর থেকেই সরকারি হাসপাতালে কালো ব্যাজ পরে ডিউটি করছেন চিকিৎসক-নার্সরা। পাশাপাশি উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ চেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের।
তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে একাধিক চিকিৎসক সংগঠনও।






















