Shyama Prasad Mukherjee: স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলার সিলেবাসে জুড়ছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী, ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর
Suvendu Adhikari: এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'শিক্ষার প্রসারে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের যে যোগদান, অবদান সেটা মুদ্রিত, চর্চিত এবং পঠিত.. এই ৩টিই হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি'

কলকাতা: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) জন্মদিনে বড় ঘোষণা, এবার স্কুল ও কলেজপাঠ্যে জুড়তে চলেছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী। আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে এই ঘোষণা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেন, বাংলার পাঠ্যবইয়ে এবার থেকে থাকবে, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস। পাশাপাশি তিনি বললেন, 'আগামী প্রজন্মের জন্য শ্যামাপ্রসাদকে পাঠ্যপুস্তকে রাখা প্রয়োজন।'
পাঠ্যে যুক্ত হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান, ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর
এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'শিক্ষার প্রসারে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের যে যোগদান, অবদান সেটা মুদ্রিত, চর্চিত এবং পঠিত.. এই ৩টিই হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সিলেবাসে যুক্ত হওয়া উচিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নাম। এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী হিসেবে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১৯০৬ থেকে ১৯১৭ পর্যন্ত পড়েছেন। তাঁর ইতিহাস এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক উল্লেখ করেছেন। বিদ্যালয়ের সহশিক্ষক ১৯২৪ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের পরিচালনায় তাঁর অবদান বর্ণনা করেছেন। আমি অত্যন্ত গর্বিত যে এই বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, পরম্পরা, পরিকাঠামো, শ্রীবৃদ্ধি সবকিছুই আগামীদিনে আরও আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব, ভবানীপুর বিধানসভার বিধায়ক হিসেবে এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমার ওপরে অর্পিত হয়েছে।' এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, 'শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা হোক। আগামী প্রজন্মের জন্য শ্যামাপ্রসাদকে পাঠ্যপুস্তকে রাখা প্রয়োজন। বাংলার সিলেবাসে যুক্ত হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্তর পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে থাকবেন শ্যামাপ্রসাদ, এমনই ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
সোমবার ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই শ্যামাপ্রসাদের জীবন ও আদর্শ সিলেবাসে অন্তর্ভুক্তির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৯০৬ সালে ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ১৯১৭ সালে এই স্কুল থেকেই ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। তাঁর বাবা আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বিদ্যালয়ের পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীকালে আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়—দু'জনেই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শ্যামাপ্রসাদের স্কুল মিত্র ইনস্টিটিউশনের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য অনুদানের কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সোমবার শহরে আসেন অমিত শাহ।























