Supreme Court: সন্তানকে নিয়ে নিখোঁজ বাঙালির রুশ স্ত্রী, লুক আউট নোটিস জারির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
Chandannagar News: পুত্রবধুর বিরুদ্ধে রুশ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার সমীর বসু।

বিজেন্দ্র সিংহ, চন্দননগর: এখনও নিখোঁজ বাঙালির রুশ স্ত্রী। নাবালক ছেলেকে নিয়ে রাশিয়ায় পালিয়েছেন বলে অভিযোগ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বসু পরিবার। এদিন শুনানিতে লুক আউট নোটিস জারি করল দেশের শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি বিমানবন্দরগুলির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুত্রবধুর বিরুদ্ধে রুশ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার সমীর বসু। শীর্ষ আদালতের কাছে তাঁর আর্জি, সাড়ে চার বছরের নাতিকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক পরিবারের কাছে। অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসারের বিস্ফোরক অভিযোগ, পুত্রবধু আসলে এক রুশ গুপ্তচরের মেয়ে। তাঁর ছেলে সৈকতকে বিয়ে করেছিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগের গোপন খবর জানার মতলবে। ভারতীয় সেনার গোপন খবর জানার জন্য তাঁর এবং তাঁর ছেলের উপর চাপ দিতেন পুত্রবধু। সৈকতকে রুশ গুপ্তচর বানাতে চেয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী। তা না করতে পেরেই সৈকতের সন্তানকে গুম করেছেন তিনি। এদিন সুপ্রিম কোর্টের এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতে দিল্লি পুলিশকে রুশ মহিলাকে খুঁজে বার করার নির্দেশ দিল সর্বোচ্চ আদালতে। বিদেশমন্ত্রক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে লুক আউট নোটিস জারি করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের মধ্যে সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে অভিবাসন দফতরকে যাবতীয় নথি পরীক্ষার নির্দেশ।
সোশাল মিডিয়ায় বন্ধুত্বের পর তা গড়ায় বিয়ে পর্যন্ত। ২০১৭ সালে চন্দননগরের সৈকত বসুর সঙ্গে বিয়ে হয় রাশিয়ান তরুণী ভিক্টোরিয়া জিগালিনার। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করে বলে অভিযোগ। বসু পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর জানা যায় ভিক্টোরিয়ার বাবা ছিলেন রাশিয়ার গুপ্তচর। অভিযোগ, ভারতীয় সেনার সদর দফতরে বারবার যেতে চান ভিক্টোরিয়া। কিন্তু তাঁর পারিবারিক ইতিহাস জানার পর তাতে আমল দেয়নি ওই পরিবার। এরপরই পরিস্থিতি আরও বেগতিক হয়ে ওঠে। পরিবারের অভিযোগ সন্তানকে মাঝে রেখেও একই চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। পারিবারিক অশান্তির জল গড়ায় শীর্ষ আদালত পর্যত। গত মে মাসে ৩ দিন মায়ের কাছে, ৪ দিন বাবার কাছে বাচ্চা থাকবে বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। গত ৭ জুলাই থেকে মা ও নাবালক পুত্রের কোনও খোঁজ মিলছে না বলে অভিযোগ। সন্দেহ, ভিক্টোরিয়াকে পালাতে সাহায্য করেছেন রুশ দূতাবাসের এক আধিকারিক। সেখানেই শেষ বার ভিক্টোরিয়াকে দেখা যায় বলে দাবি।






















