Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর কনভয় কাণ্ডে পাল্টা অভিযোগ দায়ের তৃণমূলের !
Suvendu Convoy Attack : শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে থাকা CRPF জওয়ানদের বিরুদ্ধে গড়বেতা থানায় নালিশ।

কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ দায়ের তৃণমূলের। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে থাকা CRPF জওয়ানদের বিরুদ্ধে গড়বেতা থানায় নালিশ। 'চন্দ্রকোণা রোডে তৃণমূলের কর্মসূচি চলছিল, শুভেন্দুর কনভয় যাওয়ার সময় স্লোগান। জয় বাংলা স্লোগান তৃণমূল কর্মীরাদের, সহ্য করতে না পেরে হামলা বিজেপির', শুভেন্দুর কনভয় কাণ্ডে গড়বেতা থানায় অভিযোগপত্রে দাবি তৃণমূলের।
আরও পড়ুন, 'তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের লালন-পালন করেছে' ! ফের মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর
মূলত শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে শনিবার রাতে ধুনধুমার বাধে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা রোডে। এরপরই সোজা চন্দ্রকোণা রোডে পুলিশ বিট হাউসে গিয়ে মেঝেতে অবস্থানে বসে গেলেন বিরোধী দলনেতা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আজকে এখানে করেছে, ভেবেছে মেরে দেব, গাড়ি পুড়িয়ে দেব, এ পালিয়ে যাবে। পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী হাজরার দেশের লোক।
শনিবার সন্ধেয় পুরুলিয়া থেকে জনসভা সেরে ফিরছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। চন্দ্রকোণা রোডের কাছে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন বিজেপি কর্মীরা। কনভয় সেখানে পৌঁছোতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল।লাঠি, বাঁশ দিয়ে কনভয়ের গাড়ির উপরও মারা হয় বলে অভিযোগ। দু’পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়।এরপরই সটান চন্দ্রকোণা রোডে পুলিশ বিট হাউসে গিয়ে অবস্থানে বসেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ১০-১২ জন, সামনে ৮-১০ জন পুলিশ কাঠের বাটাম, মোটা বাঁশ, আমার সামনের গাড়িটা আর পরেরটা দু'টো কালো স্করপিওর ওপর দমাদম দমাদম, আমি যেদিকে কাচের দিকে বসছি, সেদিকে দমাদম দমাদম পিটছে। লোকাল পাবলিককে জিজ্ঞেস করুন, পেট্রোল আর কেরোসিনের জার নিয়ে গাড়ির ওপর ছড়িয়ে দেশলাই মারবে। মেদিনীপুর তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, দেড় কোটি ছাড়ুন, একটা লোকেরও নাম রোহিঙ্গা হিসেবে বাদ যায়নি। এই মিথ্য়াচারের পরে, বিজেপির নেতৃত্বের বিরোধী দলনেতার ওপর ভরসা, বিশ্বাসযোগ্য়তা সম্পূর্ণভাবে একদম জিরো-তে পৌঁছেছে। সেই জায়গাতে দাঁড়িয়ে, মানসিকভাবে হতাশা এবং বিপর্যয়। তার ফল হচ্ছে আজ চন্দ্রকোণা রোড ফাঁড়িতে গিয়ে অবস্থান করা বা বিক্ষোভ দেখানো।
রাতে দীর্ঘক্ষণ পুলিশ বিট হাউসে বসে থাকেন শুভেন্দু অধিকারী। বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। থানায় অভিযোগও দায়ের করেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের হামলাকারীদের বাঁচানোর জন্য জামিনযোগ্য ধারা দিয়েছে পুলিশ। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, FIR করেছি, সেকশন দেয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী ধারা দিতে হবে। আমি বলেছি জার এনেছিল পুড়িয়ে মারার জন্য আমাকে হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে। ১০৯ না দিলে নেব না। এরা সবাই তৃণমূলের। পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ক্রিমিনাল পুলিশমন্ত্রীর লোকেরা তো ক্রিমিনাল হবে।
প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর গভীর রাতে থানা থেকে বেরিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিরোধী দলনেতা।তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা।কারও হাতে পতাকা। কারও হাতে মশাল। মশাল হাতে তুলে নেন শুভেন্দু অধিকারীও। মঙ্গলবার উচ্চ আদালতে যাব। দুপুর ২টোয় আমার নেতৃত্বে চন্দ্রকোণা রোড চলে। মমতাকে উপড়ে ফেলব। পুলিশমন্ত্রী নিজেই ক্রিমিনাল। মশাল মিছিল করে ঘটনাস্থলে যান শুভেন্দু অধিকারী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে যান বিরোধী দলনেতা।
Before You Go
Jadavpur University: মেরামত করে ফিরল ঐতিহ্যের এমব্লেম, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি যাদবপুরে





















