Nadia News: BJP নেতার কপাল ফাটানোর অভিযোগ দলীয় নেতার বিরুদ্ধে ! 'চেয়ারের পায়া দিয়ে..'
Nadia BJP Leader Attacked: নদিয়ায় বিজেপির নেতার মাথা ফাটানোর অভিযোগ উঠল আর এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে।

নদিয়া: উপনির্বাচনের আগে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে ! নদিয়ার কল্যাণীর ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়ল কি গেরুয়া শিবির ? মূলত অভিযোগ, 'বিজেপি নেতার কপাল ফাটালেন আর এক বিজেপি নেতা' ! আর এক নেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল ফের প্রকাশ্যে। এবার চেয়ারের পায়া দিয়ে মেরে বিজেপির নেতার মাথা ফাটানোর অভিযোগ উঠল আর এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে, রবিবার সন্ধ্যায় নদিয়ার কল্যাণীর শ্যামাপ্রসাদ ভবন বিজেপির পার্টি অফিসের সামনেই ঘটেছে এই ঘটনা। বিজেপির পার্টি অফিসের সামনে হচ্ছে কালী পুজো। সেখানে বসে ছিলেন এসসি মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য শ্রীনিবাস মণ্ডল। অভিযোগ, সেই সময় কল্যাণী গয়েশপুরের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ পাল দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায় শ্রীনিবাসের ওপর। চেয়ার, টেবিল দিয়ে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
এমনকি চেয়ার দিয়ে শ্রীনিবাসের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন শ্রীনিবাস মণ্ডল। আহত অবস্থায় কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে চিকিত্সা করানো হয় শ্রীনিবাস মণ্ডলকে। কল্যাণী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শ্রীনিবাস মণ্ডল। অন্যদিকে, কল্যাণী মণ্ডল-২ এর যুব সভাপতি মধুসূদন দাস কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে শ্রীনিবাস মণ্ডলের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি, শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে এসে পড়ে উত্তর ২৪ পরগনায় হাড়োয়ায়। তৃণমূল প্রার্থী শেখ রবিউল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারের সময় মারপিট তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর। দেগঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে দু'পক্ষই। আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চৌধুরীর অনুগামী কামরুজ্জামানের অভিযোগ, তিনি রাস্তা দিয়ে ফিরছিলেন। সেই সময় চাঁপাতলার অঞ্চল সভাপতি অনুগামী আব্দুল রাজ্জাকের অনুগামীরা তার উপরে হামলা চালায়। বাঁশ লাঠি নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তার মাথায় পিঠে এবং পায়ে লোহার রড দিয়ে মারা হয়।'
আরও পড়ুন, ফের CGO কমপ্লেক্স অভিযান, 'আর কতদিন সময় চাই, জবাব দাও CBI..'
সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন চাঁপাতলার অঞ্চল সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের অনুগামী আক্রান্ত তপন মণ্ডল। তাঁরও দাবি, হাড়োয়ার প্রার্থী রবিউল ইসলামের হয়ে নির্বাচনী প্রচার করছিলেন। সেই সময় কামরুজ্জামান এসে তাদের উপরে হামলা চালায়। এবং কামরুজ্জামান নির্দলের লোক, তৃণমূলের কেউ নয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারা আঙুল কেটে দেয়। দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করে অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
আপনার পছন্দের খবর আর আপডেট পাবেন আপনার পছন্দের চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটস অ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলে।























