Yuva Sathi Portal Update | যুবসাথী স্কিমে আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা! স্ট্যাটাস চেক কি করা যাচ্ছে?
২০২৬-এর ১৫ অগাস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু করার কথা হলেও, পরবর্তীকালে ভাতা চালুর সময়সীমা পয়লা এপ্রিলে এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: পয়লা এপ্রিল নয়, আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের দেড় হাজার টাকা। শনিবার মেট্রো চ্যানেলের ধর্নামঞ্চ থেকে ঘোষণা করলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। প্রথমে, ২০২৬-এর ১৫ই অগাস্ট থেকে এই প্রকল্প চালু করার কথা হলেও, পরবর্তীকালে ভাতা চালুর সময়সীমা পয়লা এপ্রিলে এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই পয়লা এপ্রিলের বদলে ৭ মার্চ থেকেই চালু হয়ে গেল যুবসাথী প্রকল্প।
তবে আবেদন জমা দেওয়া বন্ধ হয়েছে। বাংলার যুব সাথী এই পোর্টালে সাফ বলা আছে, এই স্কিমের অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার সময় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেছে। শেষ সময়ের পরে কোনও নতুন আবেদন বা পরিবর্তন গ্রহণ করা হবে না।
এর আগে আবেদনকারীদের আবেদন সম্পূর্ণ হলে একটি Application ID দেওয়া হয়েছিল সকলকে। পরবর্তীতে সেই আইডি ব্যবহার করেই পরে স্ট্যাটাস চেক করা যাবে বলেই জানা গিয়েছিল।
স্ট্যাটাস চেক করার জন্য আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে Application ID বা মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর OTP ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করলে আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা দেখা যাবে।
সাধারণত স্ট্যাটাসে কয়েকটি ধাপ দেখা যায়— Pending, Under Verification, Approved অথবা Rejected। এক্ষেত্রে কী হবে তা দেখার।
তবে বর্তমানে স্টেটাস চেক করতে গেলে যে লেখাটি আসছে-

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে স্ট্যাটাস আপডেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
বহু চাকরিপ্রার্থী বা যুবসাথী প্রকল্পের আবেদনকারী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের আবেদনের স্থিতি জানার জন্য। নতুন পোর্টালে ‘অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস’ অপশনটি থাকলেও, এখনই সেখান থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে ওই লিঙ্কে ক্লিক করলে একটি বার্তা বা পপ-আপ দেখা যাচ্ছে যেখানে বলা হয়েছে যে, স্ট্যাটাস দেখার প্রক্রিয়াটি শীঘ্রই উপলব্ধ হবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সারা রাজ্য থেকে প্রায় ৯০ লক্ষ থেকে এক কোটি বেকার যুবক-যুবতী এই মাসিক সহায়তার জন্য দরখাস্ত করেছেন।
আবেদনের নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা। শুধুমাত্র এই জেলা থেকেই মোট ৯ লক্ষ ৩৪ হাজার ২৮৫টি আবেদন জমা পড়েছে। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর ২৪ পরগনা। এই দুই জেলা থেকে যথাক্রমে ৭ লক্ষ ১৪ হাজার ১৩৩টি এবং ৭ লক্ষ ২০ হাজার ৭০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে সরকারের ঘরে।























