(Source: Poll of Polls)
Abhishek Banerjee : 'একদল লাইসেন্সপ্রাপ্ত গুণ্ডা' কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শাণিত আক্রমণ, উদয়নারায়ণপুরের বুথে বৃদ্ধ-মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক অভিষেক
' এটাই ২০২১ সালের শীতলকুচি মানসিকতা: নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর ঠান্ডা মাথার, নির্মম সহিংসতা। ২০২১ সালে নিরীহদের রক্তের জন্য বিজেপিকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।'

কলকাতা : ভোটপর্ব শেষ। বিরাট হারে ভোটদান। একদিকে যখন বিজেপি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ধন্য-ধন্য করছে, তখন সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল তুলল ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূলের কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধাক্কায় উদয়নারায়ণপুরে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তবে, উদয়নারায়ণপুরের সাধারণ পর্যবেক্ষকের দাবি, ভোট দেওয়ার পরে, অসুস্থতার কারণে তিনি হঠাৎ ভোটকেন্দ্রের কাছে পড়ে যান।তারপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়। ভোটকেন্দ্রে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলেও।
উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ২৪৫ নম্বর বুথের ভোটারকে নিয়ে কী দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়? সাংবাদিক বৈঠকে ছবি দেখিয়ে ঘটনাটি নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরে এক বয়স্ক ব্যক্তি ছেলের সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় তিনি একা হাঁটতে পারছিলেন না, তাই তাঁর ছেলে তাঁকে বুথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে ধাক্কা দেয় এবং মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁকে আমতা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ ভোটারদের আতঙ্কিত করছে। তাঁর অভিযোগ, তারা মহিলাদের চড় মারছে, বয়স্কদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না। তিনি ২০২১ সালের শীতলকুচির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এটি সেই একই মানসিকতার প্রতিফলন—নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে নির্মম সহিংসতা। ' এটাই ২০২১ সালের শীতলকুচি মানসিকতা: নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর ঠান্ডা মাথার, নির্মম সহিংসতা। ২০২১ সালে নিরীহদের রক্তের জন্য বিজেপিকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।'
এই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম টেনে আক্রমণ শানান। বলেন, অমিত শাহের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির ব্যক্তিগত সেনাবাহিনীতে পরিণত হয়েছে—বাংলার মানুষের ওপর লেলিয়ে দেওয়া একদল লাইসেন্সপ্রাপ্ত গুণ্ডা। অভিষেকের হুঙ্কার, 'তোমাদের এই ত্রাসের রাজত্বের অবসান ঘটবে সম্পূর্ণ ধ্বংসের মাধ্যমে।' তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের মুখোমুখি করা হবে। তিনি বলেন, “আপনি কোন রাজ্য থেকে এসেছেন বা কার রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন, তা কোনো ব্যাপার নয়। এই বর্বরতায় জড়িত প্রত্যেককে খুঁজে বের করা হবে এবং আইনের পূর্ণ শক্তির মুখোমুখি করা হবে।” কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন মৃতের পরিবার।

সেরা শিরোনাম




















