Suvendu Adhikari PA Death: 'হঠাৎ ফোনের মধ্যে ২-৩ জনের গলা, গুলির শব্দ...আর উত্তর দিল না চন্দ্র', ফোনের ওপারে খুনের ঘটনার সাক্ষী বিজেপি বিধায়ক!
Suvendu Adhikari PA Death News: ড্রাইভারের পাশের আসনে বসে, কথা বলছিলেন মোবাইল ফোনে। ফোনের অপর প্রান্তে ছিলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।

কলকাতা: বুধবার রাতে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক যখন খুন হন, তখন তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সেই হাড় হিম করা মুহূর্তের বিবরণ দিয়েছেন তিনি। শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিয়ে ফোনে তাঁদের কথা হচ্ছিল। কথা বলতে বলতে, মাঝপথেই কথা থামিয়ে দেন চন্দ্রনাথ। রোজকারের মতো রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। ড্রাইভারের পাশের আসনে বসে, কথা বলছিলেন মোবাইল ফোনে। ফোনের অপর প্রান্তে ছিলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। কথা বলতে বলতে, মাঝপথেই কথা থামিয়ে দেন যান চন্দ্রনাথ। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক বলছেন, '৯ তারিখ শপথগ্রহণ। অনেকক্ষণ ধরে কথা হচ্ছিল। আচমকা কথা থেমে গেল। গুলির শব্দ অনেকের আওয়াজ।'
ফোনের ওপার থেকে কী শুনেছিলেন শঙ্কর?
২৫ বৈশাখ শপথগ্রহণ নতুন সরকারের। তারই প্রস্তুতি নিয়ে শঙ্কর ঘোষের কথা হচ্ছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথের। শঙ্কর ঘোষ বলছেন, '১০টা নাগাদ আমরা ২ জন ফোনে কথা বলছিলাম। লং কনভার্সেশন। আমি তো গাড়িতে ছিলাম, ও কোথায় ছিল জানতাম না। হঠাৎ করে ওর ফোনটার মধ্যে ২-৩টি ভয়েস একসঙ্গে অল্প আসছে। ওর কোনও গলা শুনতে পাচ্ছি না। আমি প্রথমে ভাবলাম ক্রস কানেকশন হয়েছে। ফোনটা কেটে করলাম, ফোন ধরল না।' শঙ্কর ঘোষ আরও বলেন, 'মেসেজ করলাম, তোর শরীর খারাপ হয়েছে নাকি, তুই তাড়াতাড়ি জানা। কোথায় তুই? তখনও কোনও রিপ্লাই নেই। তখন আমার একটু স্ট্রাইক করল। আমি তারপরে আরও ফোন করলাম, তখন একজন ধরে বলল স্যরকে গুলি করেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম ও বেঁচে আছে? বলল, আমি কিছু বুঝতে পারছি না।'
চন্দ্রনাথকে হারিয়ে আক্ষেপ বন্ধুদের ও
ঘটনার পরই চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালককে নিয়ে যাওয়া হয় মধ্যমগ্রামের ভিভাসিটি হাসপাতালে। হাসপাতালের প্রতীম সেনগুপ্ত বলছেন, '৩টে গুলিই বাঁদিকের বুকে হার্ট ফুঁড়ে গেছে। আনার আগেই মারা গিয়েছে। চালকের জ্ঞান ফিরে, বলেন, ঠিক করুন সব বলব।' শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ বিজেপির বহু নেতা-নেত্রী-বিধায়কের ঘনিষ্ঠ ছিলেন! বিজেপির মাইনরিটি মোর্চার রাজ্য সভাপতি কাসেম আলি বলছেন, 'আমার পরম বন্ধু ছিল। আজকে সন্ধে ছটার সময় ওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাকে ফোন করে বলল, আয়নারে, আমরা নিজাম প্যালেসে আড্ডা মারি, চা খাই।' ভোট আসে, ভোট যায়। হাত বদল হয় ক্ষমতার। কিন্তু এই ছবিগুলো কেন পাল্টায় না? প্রশ্ন সব হারানো পরিবারগুলির।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ‘অত্যাচারীদের পাশে দাঁড়ান, নেত্রীর নির্দেশ কর্মীদের’, শিরোনাম ‘জাগো বাংলা’-য় !
সেরা শিরোনাম




















