Mamata Banerjee: স্ট্রং রুম চত্বরে প্রায় ৪ ঘণ্টা! কেন গেলেন, কী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কমিশনকে রিপোর্ট দিল DEO
Election 2026: আজ, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল নিয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দিল DEO। 'স্ট্রং রুমের বাইরে কতক্ষণ ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই বিষয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দিল DEO

কলকাতা: বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ গতকাল সন্ধে থেকেই বিভিন্ন স্ট্র-রুমের সামনে নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয় তৃণমূল। নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামের ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সন্ধে থেকেই ধর্নায় বসেন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা সহ, একাধিক তৃণমূল নেতানেত্রীরা। এরপরে, সেখানে বিজেপি নেতা তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক এলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অন্যদিকে, কার্যত একই সময়ে নিজের কেন্দ্রের স্ট্রং রুম, শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ৪ ঘণ্টা সেখানে থাকার পরে, রাত ১২টার পরে স্ট্রং রুম প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের ভিতরে কী ঘটেছিল গতকাল রাতে? দেওয়া হল রিপোর্ট
এরপরে আজ, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল নিয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দিল DEO। 'স্ট্রং রুমের বাইরে কতক্ষণ ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই বিষয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দিল DEO। পাশাপাশি ওই রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কেন শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ঠিক কী হয়েছিল সেখানে? এই বিষয় নিয়ে রিপোর্ট দিলেন দক্ষিণ কলকাতার DEO। গতকাল শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরে বসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরে তৃণমূল - বিজেপির হাতাহাতি হয়। রাতে প্রেস ব্রিফ করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের তোলা যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করে CEO দফতর। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কেন সেখানে গেলেন? আদতে গোটা ঘটনা কী, জানতে চেয়ে রিপোর্ট চায় কমিশন। আজ দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার DEO সেই রিপোর্ট পাঠিয়েছে CEO দফতরে। কতক্ষন বসেছিলেন, ঘটনা কি ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়েছে সেই রিপোর্টে।
গতকাল রাতে শাখাওয়াত থেকে বেরিয়ে কী বলেছিলেন মমতা?
গতকাল, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন 'এজেন্টরাও মানুষ। ওঁদের জন্য ৪টে শৌচাগার বানানোর কথা বলেছি। ২ ঘণ্টা পরে পরে শৌচাগার পরিষ্কার ও করতে বলেছি। বাইরে আমাদের অফিসিয়াল এজেন্টরা বৃষ্টিতে ভিজছিল। বিল্ডিংটা সম্পূর্ণ বন্ধ। বাইরে থেকে আমাদের এজেন্টরা কীভাবে স্ট্রং রুমের ওপর নজর রাখবেন? সিসিটিভির ব্যবস্থা করলাম, যাতে ওঁরা নিচে বসেই দেখতে পারেন। এখন ওদের সবাইকেই বারন্দায় বসিয়ে দিয়ে এসেছি। সব পার্টির এজেন্টদের জন্যই ব্যবস্থা করেছি। ঝগড়া অশান্তি তো লেগেই থাকবে। কিন্তু আমি কখনোই এটা চাই না যে, মানুষের ভোট জবরদস্তি দখল হয়ে যাক। অত অত্যাচার হয়েছে, আমাদের এত এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে, সব একতরফা হয়েছে। তারপরেও যদি ইভিএম লুঠ করার চেষ্টা চলে, কেউ যদি কাউন্টিং লুঠের চেষ্টা করে, আমি জীবন বাজি রেখে লড়ব। আমি সমস্ত পার্টির এজেন্টদের বলে এসেছি, এটা আপনাদের অধিকার। স্ট্রং রুমের দেখভাল করুন। কিন্তু ঝগড়া করবেন না। এটা ঝগড়ার জায়গা নয়।




















