Election Commission: পুলিশকে জুতো-লাঠি-বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার, উদ্বিগ্ন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারে ওসিকে নির্দেশ!
Attack On Police, West Bengal Assembly Election 2026: বাসন্তীতে পুলিশের উপর হামলায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের আগে এমন ছবি দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে পুলিশ, প্রশাসনের।

গত ২৬ মার্চ আক্রান্ত হন বাসন্তী থাকার সাব ইন্সপেক্টর ও এক কনস্টেবল। বিজেপির দাবি তৃণমূল রাস্তা অবরোধ করে রেখেছিল। আর সেই অবরোধ তুলতে গিয়েই আক্রান্ত হয় পুলিশ। লাঠি, জুতো, বাঁশ ইত্যাদি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় পুলিশকে। পুলিশের হাত থেকেই লাঠি ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করা হয় কনস্টেবলকে। সামনে এসেছে একাধিক ভিডিও ফুটেজ। ঘটনায় ৮ জনকে ইতিমধ্যেই পাকড়াও করা হয়েছে।
আর বাসন্তীতে পুলিশের উপর এই হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের আগে এমন ছবি দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে পুলিশ, প্রশাসনের। রাজ্যের সব এসপি ও পুলিশ কমিশনারদের জরুরি নির্দেশ দিয়েছে তারা। এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) ব্যবহার করতে হবে, রাজ্যের সব ওসিকে নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। এমনকি প্রয়োজনে থানার ওসি ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) আইন মেনে বল প্রয়োগ করতে পারবে, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বাসন্তী থানার অধীনে কীভাবে পুলিশকর্মীরা আক্রান্ত হলেন, সেই নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন। পুলিশের মার খাওয়া কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলেই জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। এ ছাড়াও কমিশন আরও জানিয়েছে, কারও দায়িত্বে গাফিলতি বা ত্রুটি যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই রাজ্য ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় 'কনফিডেন্স বিল্ডিং' ও এরিয়া ডমিনেশনও শুরু করে দিয়েছে। এখনও প্রায় ১ হাজার ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছবে রাজ্যে। এর মধ্যে ৩১ মার্চ রাজ্যে আসবে ৩০০ কোম্পানি বাহিনী। আগামী ৭ এপ্রিল আসবে আরও ৩০০ কোম্পানি। এপ্রিল মাসের ১০ তারিখ আসবে আরও ৩০০ কোম্পানী। এর পর এপ্রিলের ১৩ তারিখ ও এপ্রিলের ১৭ তারিখ যথাক্রমে রাজ্যে আসবে ২৭৭ কোম্পানি ও ৭৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে যেমন রয়েছে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF), তেমনই রয়েছে বর্ডার সিকিওরিটি ফোর্স (BSF), সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ফোর্স (CISF), ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ (ITBP) ও সীমা সুরক্ষা বল (SSB)। এই বাহিনী 'কনফিডেন্স বিল্ডিং' ও এরিয়া ডমিনেশন ছাড়াও ইভিএম, স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবে।




















