Fact Check: বুথে ওয়েবকাস্টিং, "ট্র্যাক করা হয় ভোট"? এই সব দাবি কি আদৌ সত্যি? কী বলছে নির্বাচন কমিশন
West Bengal Assembly Election 2026: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী ভোট সম্পূর্ণ গোপনীয় একটা বিষয়। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার কাকে ভোট দিচ্ছেন তা কোনওভাবেই প্রকাশ পায় না।

কলকাতা: নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়ে দিয়েছিল এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথেই ওয়েবকাস্টিং হবে। আর তারপরই ভাইরাল হয় একাধিক পোস্ট। এমনকি অনেকের মনে এই চিন্তা আসতে থাকে, ওয়েব কাস্টিং মানে কি এবারের নির্বাচনে আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন, সেটা কি দেখে নেবে নির্বাচন কমিশন?
এই নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ফেসবুক ও এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি সচেতনতামূলক পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ গোপনীয়। এ ছাড়াও এই ধরনের কোনও নজরদারি বা কোনও ট্র্যাকিংয়ের কোনও সুযোগ এখানে নেই।
Your vote is Confidential! 🤫
— CEO West Bengal (@CEOWestBengal) April 20, 2026
🚫 NO CCTVs in voting compartments.
🚫 NO tracking via cameras, Aadhaar, or PAN cards. (Report anyone spreading this fake news!)
🛡️ Central Forces will stay deployed Post poll days for your safety.
Vote without fear!#WBLA2026 @ECISVEEP @PIBKolkata pic.twitter.com/NUlM4eMMdy
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, "ক্যামেরার মাধ্যমে বা আধার কার্ড কিংবা প্যান কার্ড বা অন্য কোনও ধরনের কার্ডের মাধ্যমে আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা জানা যাবে, এই দাবি একেবারে মিথ্যা। এই ভুল তথ্য যারা ছড়াচ্ছে তাদের সম্বন্ধে পুলিশ বা অবজারভারকে জানান। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।"
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী ভোট সম্পূর্ণ গোপনীয় একটা বিষয়। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার কাকে ভোট দিচ্ছেন তা কোনওভাবেই প্রকাশ পায় না। এ ছাড়াও যেখানে ইভিএম থাকে, সেই ভোটিং কম্পার্টমেন্টে কোনও CCTV থাকে না। ফলে গোপনীয়তা নষ্ট হবে, এমন ভয় পাওয়ারও কোনও কারণ থাকে না।
নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রতিবার নির্বাচনের আগে বা নির্বাচন চলাকালীন ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে বা ভোটারদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিতে এই ধরনের গুজব ছড়ানো হয়। এর ফলে, ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার যে অধিকার, তা খর্ব হয়।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে কোনও ক্যামেরা বা অন্য কোনও প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোট কখনও ট্র্যাক করা হয় না। ভুয়ো তথ্য ছড়ালে সেই বিষয়ে পুলিশ বা প্রশাসনকে জানতে বলা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে। এ ছাড়াও বলা হয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের পরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এর ফলে ভোটাররা নির্ভয়ে থাকতে পারবেন। ফলে, কোনও ধরনের গুজবে কান না দিয়ে নিজের ভোট নিজে দিয়ে আসুন। গণতন্ত্রের এই উৎসবে সামিল হোন।





















