Panchayat Election : নির্দেশ না মেনে নির্দল, পূর্ব মেদিনীপুর-হাওড়ায় ৫৩ জনকে বহিষ্কার তৃণমূলের
Purba Medinipur -Howrah : পূর্ব মেদিনীপুরে তমলুকে ৪৩ জন ও হাওড়া সদরে ১০ জন নেতাকে বহিষ্কার করে তৃণমূল।

বিটন চক্রবর্তী ও সুনীত হালদার, পূর্ব মেদিনীপুর ও হাওড়া : দলের নির্দেশ অমান্য করে নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোয় পূর্ব মেদিনীপুর ও হাওড়ায় পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ৫৩ জনকে বহিষ্কার (Expelled) করল তৃণমূল (TMC)। বিক্ষুব্ধদের বার্তা দিতেই এই পদক্ষেপ, জানিয়েছে শাসকদল। সবটাই লোক দেখানো, কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
দলে ঠাঁই নেই নির্দলদের। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব বার্তা দিয়েছিল আগেই। বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সময়সীমা। দলীয় অনুশাসন মেনে এবার পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) ও হাওড়ায় (Howrah) মোট ৫৩ জন নেতা, নেত্রীকে বহিষ্কার করল তৃণমূল।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে শুভেন্দু-গড় পূর্ব মেদিনীপুরে টিকিট নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূলের কোন্দল। দলের নির্দেশ অগ্রাহ্য করেই কেউ নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছেন, কেউ বা নির্দল প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, জেলা পরিষদ সদস্য-সহ তমলুক সাংগঠনিক জেলার ১১টি ব্লকের এমন ৪৩ জন নেতা, নেত্রীকে বহিষ্কার করল তৃণমূল। নির্দলদের নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। তমলুক সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র বলেছেন, 'দলের নির্দেশ ছিল যাকে প্রার্থী করবে তাকে মেনে নিতে হবে। যারা মানবে না তাদের বাদ দিতে হবে। ১১টা ব্লকের ৪৩ জনকে সাসপেন্ড করা হল।' পাল্টা তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করেছে তৃণমূল, তাই নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।'
হাওড়া সদরেও দলের নির্দেশ না মেনে মনোনয়ন এবং তা প্রত্যাহার না করায়, ১০ জন নেতা, নেত্রীকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানও। হাওড়া সদরের তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি কল্যাণ ঘোষ বলেছেন, 'নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছে বলেই দল থেকে বহিষ্কার করা হল'। বিজেপি মুখপাত্র ওমপ্রকাশ সিংহ যা নিয়ে খোঁচা দিয়ে বলেছেন, 'পুরোটা আইওয়াশ। তৃণমূলের কাটমানির খেলা। মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা।'
বিক্ষুব্ধ ও নির্দল প্রার্থীদের বহিষ্কার করে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। তবে এতে কী আদৌ শাসকদলের কোন্দলে রাশ টানা যাবে? প্রশ্ন বিরোধীদের।





















