Narendra Modi : মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া সিদ্ধান্ত আদিবাসী-বিরোধী মানসিকতার প্রমাণ? তৃণমূলের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
এই ঘটনার মধ্যে রাজনৈতিক পরিকল্পনা খুঁজে পেল তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর আদিবাসী-বিরোধী মানসিকতাই নাকি এতে সামনে এল।

কলকাতা : ভোটের প্রচারের মাঝেই ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি বিরতি নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একেবারে মানুষের ভিড়ে মিশে দোকান থেকে ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খেলেন। ভাগও করে দিলেন ছোটদের। হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তার বেড়াজাল ছেড়ে মানুষের মাঝে আসায় উচ্ছ্বসিত হল এলাকার মানুষ। সেই ভিডিও এখন ভাইরাল ! এরই মধ্যে এই ঘটনার মধ্যে রাজনৈতিক পরিকল্পনা খুঁজে পেল তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর আদিবাসী-বিরোধী মানসিকতাই নাকি এতে সামনে এল।
ঠিক কী অভিযোগ তৃণমূলের ?
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের কারণে ঝাড়গ্রামে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর স্ত্রী তথা বিধায়ক কল্পনা সোরেনের হেলিকপ্টার নামার অনুমতি পায়নি। তৃণমূলের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ,
তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে যোগ দিতে ঝাড়গ্রামে আসার কথা ছিল হেমন্ত সোরেনের। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি দীর্ঘায়িত হওয়ায় তাঁদের কপ্টার অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দুই নেতাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ না নিয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হন।
তৃণমূলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মসূচি, যেমন ‘জলখাবার বিরতি’ ও ‘ফটো সেশন’-কেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সাংবিধানিক মর্যাদা খর্ব হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদিবাসী-বিরোধী মানসিকতার অভিযোগ তুলেছে। তাদের বক্তব্য, আদিবাসী ভোট পাওয়ার লক্ষ্যে ঝাড়গ্রামে এলেও, বাস্তবে আদিবাসী নেতৃত্বকেই অপমান করা হয়েছে।
কী লিখেছে তৃণমূল?
তৃণমূলের অভিযোগ, ''প্রধান সেবক' ঝাড়গ্রামে নিজের সফর দীর্ঘায়িত করে ঝালমুড়ি খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে—ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর স্ত্রী ও বিধায়ক কল্পনা সোরেনের কপ্টার অবতরণের অনুমতিই দেওয়া হয়নি। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ২ নেতাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখা হল। এবং শেষমেশ, নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য করা হল।''
প্রথম দফা ভোটের আগে গতকালই ছিল শেষ রবিবাসরীয় প্রচার। হাইভোল্টেজ প্রচারে একদিকে ঝড় তোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অন্যদিকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে শানান আক্রমণ। প্রচারের মঞ্চ থেকেই সরকার গড়া নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা যায় দুপক্ষের মুখেই। এখন ইভিএমে মানুষ , কাকে বেছে নেয়, তা জানা যাবে ৪ মে।
সেরা শিরোনাম




















