Falta Repoll Results: ফলতায় বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি, ভেঙে চুরমার 'ডায়মন্ড মডেল', জামানত বাজেয়াপ্ত তৃণমূলের
BJP Wins Falta: ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল 'ডায়মন্ড মডেল', ছারখার ঘাসফুলের বাগান। ফলতায় বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি। সিপিএম-এর কাছেও পিছিয়ে গেল তৃণমূল।

কলকাতা: ফলতায় ভেঙে চুরমার ডায়মন্ড হারবার মডেল। ফলতা পুনর্নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি, চতুর্থ স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস। ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল 'ডায়মন্ড মডেল', ছারখার ঘাসফুলের বাগান। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে ফলতায় ৪০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছিল তৃণমূল, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যেখানে ১ লক্ষ ৬৮ হাজারের বেশি লিড পেয়েছিল তারা, সেখানে ২০২৬ সালের পুনর্নির্বাচনে একেবারে চতুর্থ স্থানে নেমে এল জোড়াফুল শিবির। যদিও ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন ফলতায় তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। (BJP Wins Falta)
ফলতায় বিপুল ভোটে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। তিনি ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয়ী হয়েছেন। ২২ রাউন্ডের পর তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিপিএম। তাদের প্রাপ্ত ভোট ৪০ হাজার ৬৪৫। তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস। তাদের প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ৮৪ ভোট। জাহাঙ্গিরের সমর্থনে EVM-এ ভোট পড়েছে ৭ হাজার ৭৮৩। এই জাহাঙ্গিরের ভয়েই ফলতায় সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারতেন না বলে অভিযোগ। (Falta Repoll)
এদিন জয়ের পর দেবাংশু বলেন, "এই জয় ফলতাবাসীর জয়। মানুষ দু'হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। বিজেপি-কে বিশ্বাস করেছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এসে আবেদন জানিয়েছিলেন। ফলতায় গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট হয়েছে। গণনাও হয়েছে সেই রকম। কোনও রকম অশান্তি হয়নি। গণতন্ত্রের উৎসবে সকলে শামিল হয়েছিলেন।"
আরও পড়ুন: ফলতায় ডায়মন্ড হারবার মডেল ভেঙে চুরমার, বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি, তৃণমূল নেমে এল চতুর্থ স্থানে
এদিন ফলতা পুনর্নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি-র আসন বেড়ে হল ২০৮। তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ৮০। সিপিএম-এর বিধায়ক ১, ISF-এর ১ এবং কংগ্রেসের ২। এদিন ফলাফল প্রকাশের পরই লাড্ডু বিতরণ হয় ফলতায়। গেরুয়া আবিরে ঢেকে যায় চারিদিক। শঙ্খধ্বনিও শোনা যায় চারিদিকে। স্থানীয় মহিলারা জানান, এই দিনটির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিতে পারাতেই আজ তৃণমূল ধরাশায়ী হল বলে মত তাঁদের।
অন্য দিকে, এদিনও এলাকায় দেখা যায়নি জাহাঙ্গিরকে। তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায়, চারিদিক শুনশান। কোনও সাড়াশব্দ নেই। অথচ এই জাহাঙ্গিরই একসময় 'ফলতার ত্রাস' হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের দাবি, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন তাঁরা। কেউ ১৫ বছর ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। বাসিন্দারা ভোট দিতে না গেলেও, তাঁদের নামে ভোট পড়ে যেত বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গত ২৯ তারিখ ভোট হলেও, সেই সময়ও EVM-এ কালো টেপ লাগানোর ঘটনা সামনে আসে। EVM-এ আতর লাগানোর অভিযোগও ওঠে, যাতে কে কোন বোতাম টিপেছেন, তা আঙুল শুঁকে বোঝা যায়। সরাসরি জাহাঙ্গিরকেই কাঠগড়ায় তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সেরা শিরোনাম




















