West Bengal Vote Counting : 'দু মিনিট হঠাৎ বন্ধ স্ট্রংরুমের CCTV ক্যামেরা', কিছু কি হচ্ছিল ভিতরে? ছুটে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী
TMC প্রার্থীর অভিযোগ, দু মিনিটের জন্য বন্ধ ছিল তাঁর এলাকার স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরা। সেই শুনে তিনি নিজে স্ট্রং রুমের সামনে ছুটে যান।

রানা দাস, বর্ধমান : EVM সুরক্ষিত রাখতে স্ট্রংরুমে স্ট্রং নিরাপত্তা। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রাখা হয়েছে EVM. স্ট্রংরুমের বাইরে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভবনের গেটের বাইরেও রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সশস্ত্র রাজ্য পুলিশ। গোটা চত্বর সিসি ক্যামেরায় মোড়া। স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরার মনিটর বসানো হয়েছে বাইরে। সেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বা কর্মীরা যে কোনও সময় নজরদারি করতে পারবেন। এত স্ট্রং নিরাপত্তা সত্ত্বেও কলকাতায় স্ট্রং রুম ঘিরে বৃহস্পতিবার রাতে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজনৈতিক সংঘাত। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের স্ট্রং রুমের সামনে গিয়ে বসে থাকেন ৪ ঘণ্টা। তিনি সরাসরি ইভিএম ট্যাম্পারিংয়ের চেষ্টার অভিযোগ করেন। আর এই আবহেই বড় অভিযোগ তুললেন পূর্বস্থলী দক্ষিণের তৃণমূলের প্রার্থী স্বপন দেবনাথ।
অভিযোগ, দু মিনিটের জন্য বন্ধ ছিল তাঁর এলাকার স্ট্রং রুমের সিসি ক্যামেরা। সেই শুনে তিনি নিজে স্ট্রং রুমের সামনে ছুটে যান। পূর্বস্থলী দক্ষিণের তৃণমূলের প্রার্থী স্বপন দেবনাথের সন্দেহ, দু মিনিটেই অনেক কিছু হতে পারে। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি তুলেও ধরেন। কমিশনকে তিনি বলেন, শুক্রবার থেকে তিনি সারা রাত থেকে পাহারা দেবেন !
কালনা কলেজে কালনা, মন্তেশ্বর, পূর্বস্থলী উত্তর, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, এই চারটি বিধানসভার স্ট্রং রুম করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছ'টা বাজতে পাঁচ থেকে দু মিনিটের জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। দলের কর্মীদের মারফত তিনি খবর পান। তারপরই তিনি ছুটে আসেন স্ট্রং রুমে কী চলছে দেখতে! তিনি এই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ করেন। তারপর নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি জানান , দু মিনিটে অনেক কিছু হয়ে যেতে পারে, তিনি আরও বলেন, এবার থেকে তিনি কালনায় রাতে পাহারায় থাকবেন।
অন্যদিকে, কাটোয়া কলেজেও হয়েছে স্ট্রং রুম। কাটোয়ার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষ আবার অভিযোগ করেছেন, কলেজের পিছনে একটি অংশ ভাঙা। তাই সেখান দিয়ে কেউ চাইলে কুকীর্তি করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। বসেছেন ধর্নাতেও। প্রার্থীর অভিযোগ, কাটোয়া কলেজের চারিদিক পাঁচিল দিয়ে ঘেরা । কলেজের পিছনের দিকে পাঁচিলের একটি অংশ ভাঙা। সেখান দিয়ে অনায়াসে ঢুকে যেতে পারে কেউ ।
নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিদিন সশরীরে স্ট্রংরুমে যেতে হবে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ জেলাশাসক ও রিটার্নিং অফিসারকে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
আরও পড়ুন : ভোট মিটতেই বড় ধাক্কা ! বেড়ে গেল রান্নার গ্যাসের দাম, কত হল কলকাতায় ?




















