Suvendu Adhikari: 'শাসকদলের স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস দেখালেই...' আক্রান্ত ভোটকর্মী, সুর চড়ালেন শুভেন্দু
এদিন এক্স পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আবারও তাণ্ডব চালাচ্ছে তৃণমূলের গুন্ডারা; এবার রানাঘাটে।'

ভোটের প্রশিক্ষণে এসে আক্রান্ত ভোটকর্মী। 'ভোট প্রশিক্ষণের জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিনে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি?' প্রশ্ন তোলায় রাণাঘাটের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। এবার এই ঘটনা নিয়ে সুর চড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন এক্স পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আবারও তাণ্ডব চালাচ্ছে তৃণমূলের গুন্ডারা; এবার রানাঘাটে। নদিয়া জেলার রানাঘাটে অবস্থিত 'রানাঘাট দেবনাথ ইনস্টিটিউশন ফর বয়েজ'-এ আয়োজিত একটি ভোটার প্রশিক্ষণ চলাকালীন শ্রী সৈকত চট্টোপাধ্যায় নামে এক প্রাথমিক শিক্ষককে নৃশংসভাবে মারধর করা হয় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়—শুধুমাত্র এই কারণে যে, তিনি প্রতিবাদে মুখ খোলার সাহস দেখিয়েছিলেন।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথায়, 'তাঁর অপরাধ ছিল কেবল এটুকুই যে, ভোটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সম্বলিত একটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের বিষয়ে তিনি সঙ্গত কারণেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। রানাঘাট ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসের কর্মীরা, যারা কার্যত তৃণমূলের পেশিশক্তি হিসেবেই আচরণ করছিল, তারা তাঁকে নির্মমভাবে প্রহার করে। এমনকি তারা তাঁকে এই হুমকিও দেয় যে, তিনি যদি কেন্দ্রের বাইরে পা রাখেন, তবে তাঁকে চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে'।
শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, 'এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি হলো তৃণমূলের সেই 'সন্ত্রাসের সংস্কৃতি', যেখানে একজন সাধারণ শিক্ষকও নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের সময় তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে এবং সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত কর্তব্য পালন করতে গিয়েও মারধর ও হুমকির শিকার হন।'
তিনি লেখেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনাধীনে পশ্চিমবঙ্গ আজ এক আইনহীন রাজ্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রশাসন চালায় গুন্ডারা। শিক্ষক, চিকিৎসক কিংবা সাধারণ নাগরিক—শাসকদলের ঔদ্ধত্য ও স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস দেখালে কেউই আজ আর নিরাপদ নন'।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'ভারতের নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই এই গুরুতর ঘটনার বিষয়ে অবিলম্বে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মারধর, অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যেন দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়'।





















