Suvendu Adhikari PA Killed: ভাড়াটে খুনি এনে খুন, নেপথ্যে বড় নাম! গুলিতে ঝাঁঝরা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক
BJP West Bengal: ঘটনার কথা জানতে পেরেই শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিংহ, কৌস্তভ বাগচী সহ বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব পৌঁছে গিয়েছেন।

কলকাতা: রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। গেরুয়া ঝড়ে ঘাসফুল উড়ে গিয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন কারা, তা নিয়ে তুঙ্গে চর্চা। শনিবার শপথগ্রহণের তোড়জোড় চলছে জোরকদমে। তার মাঝেই নৃশংসভাবে হত্যা করা হল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে।
চন্দ্রনাথ রথ। ভারতীয় বায়ুসেনায় কাজ করতেন। বছর পাঁচেক আগে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্তসহায়ক নিযুক্ত হয়েছিলেন। শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন। গুলি করে খুন করা হল চন্দ্রনাথ রথকে। মধ্যমগ্রামে রীতিমতো সিনেমার ধাঁচে গাড়ি থামিয়ে গুলি করে হত্যা করা হল চন্দ্রনাথ রথ-কে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ততক্ষণে প্রাণ হারিয়েছেন চন্দ্রনাথ।
ঘটনার কথা জানতে পেরেই শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিংহ, কৌস্তভ বাগচী সহ বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব পৌঁছে গিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, 'এটাই প্রত্যাশিত ছিল। তৃণমূল অন্য কিছু করতে না পেরে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের ওপর গুলি চালাল। আমাদের সভ্যতা-সংস্কৃতি সব গ্রাস করে ফেলেছে। আমরা এখন আর রবীন্দ্রসঙ্গীত, আর নজরুলগীতিতে নেই, ডিজে-তে চলে গিয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে খুন করে একটা বার্তা দেওয়া হল।'
মধ্যমগ্রামেই বাড়ি চন্দ্রনাথ রথের। মধ্যমগ্রামে একটি বিরিয়ানির দোকানের বাইরে, দোহারিয়ার কাছে ঘটনাটি ঘটে। গাড়িতে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক-সহ ২ জন। গুলিবিদ্ধহয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের গাড়ির চালকও।
খুনের কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে ভয়ঙ্কর জলঘোলা। এর নেপথ্যে গুরুতর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে অনুমান কারও কারও। কারও কারও মনে হচ্ছে, ভাড়াটে খুনি এনে খুন করা হয়নি তো! গোটা ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূল কংগ্রেস থাকতে পারে বলে অভিযোগ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে।
বিজেপির সদ্যবিজয়ী বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী অভিযোগ করেছেন, 'মোটরসাইকেলে করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গাড়ি ফলো করা হয়েছে। তারপর এইভাবে গুলি করে হত্যা। এটা পরকিল্পিত। এর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরিভাবে জড়িত। যতক্ষণ না দোষীদের ধরা হচ্ছে, আমরা মৃতদেহ দাহ করব না।'
বুধবার বিকেল পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মধ্যমগ্রামে একটি বিরিয়ানির দোকানের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। তাঁর গাড়ির সামনে একটি চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায়। তখনই মোটরবাইকে চড়ে এসে কয়েকজন দুষ্কৃতী পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে এসে গুলি চালায়। নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। তিনটি গুলি লাগে চন্দ্রনাথ রথের শরীরে। আহত হয়েছেন আপ্তসহায়কের গাড়ির চালকও।
এর নেপথ্যে কি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে? বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারীকে বার্তা দিতেই কি এই নৃশংসতা? সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।




















