WB Election 2026: "১০০ শতাংশ জিতব", প্রচারে বেরিয়ে সিপিএম প্রার্থীর প্রশংসা সজলের মুখে !
BJP Candidate Sajal Ghosh Vote Campaign : মঙ্গলের সকালে প্রচারে বের হলেন বরানগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ, কী বললেন তিনি ?

কলকাতা: মঙ্গলের সকালে প্রচারে বের হলেন বরানগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। আজ পঞ্চাননতলায় বজরংবলীর মন্দিরে পুজো দিয়ে জোরকদমে প্রচারে নামলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।
আরও পড়ুন, আজই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা, আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্য়েই সাংবাদিক বৈঠক করবেন মমতা
প্রশ্ন: ২০২৪ উপনির্বাচনে আপনি প্রথমবার বরানগরে দাঁড়িয়েছিলেন, আপনি সায়ন্তিকার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এবছর কী হবে বলে মনে হচ্ছে ?
বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ : ১০০ শতাংশ জিতব। গতবার আমি কেমনভাবে হেরেছিলাম, আপনাদের কাছে ব্যাখ্যা করতে হবে না। আমি ব্যাক্ষা করব না। আশা করি সেই নির্বাচন ওরা করতেও পারবে না। আর আমিও করতে দেব না। ৩৫ হাজার মার্জিন ছিল ২০২১ সালে। ৮ হাজার ভোটে হেরেছি।
প্রশ্ন: একটা সিপিএম একটা ভাইটাল কারণ, এখানে আরএসপি ক্যান্ডিডেট হতো আগে, কিন্তু গত চব্বিশের নির্বাচনেও আমরা দেখলাম, সিপিএম ক্যান্ডিডেট তন্ময় ভট্টাচার্য ছিলেন, এবারেও সায়নদীপ মিত্র। তন্ময় ভট্টাচার্য প্রায় ২৭ হাজার ভোট ২০২৪ সালে পেয়েছিলেন, সেটা তৃণমূলের ক্ষেত্রে বেনিফিটেড হয়েছিল। এবারেও কি একই ছবি হবে ?
বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ: আমি প্রত্যেকবার বলতাম, আমাকে তৃণমূল হারাতে পারেনি, হারিয়েছিল সিপিএম। এবং সেটা পরবর্তীকালে ২ বছর বাদে হলেও, তন্ময়দা যিনি আমার বিরুদ্ধে আগেরবার সিপিআইএমের প্রার্থী ছিলেন, তিনি শিকার করেছেন। সায়নদীপ অত্যন্ত ভাল ছেলে। রাজনৈতিক ভবিষ্যত আছে। যুক্তিগ্রাহ্য কথা বলতে পারে। কিন্তু এখানে ওকে যারা দাঁড় করিয়েছে, যারা ওকে প্ল্যান্ট করিয়েছে, আগেরবার ও কামারহাটিতে দাঁড়িয়েছিল, কামারহাটি ওর জন্মস্থান, বা ওর রাজনৈতিক কর্মস্থান, সেখান থেকে তুলে আবার এখানে প্ল্যান্ট করা, একটাই কারণ, সেটা হচ্ছে তৃণমূলকে জেতানো। আমি সিপিএম কমীদের কাছে আবেদন করব, যেখানে আমরা জিতব না, সেখানে আমরা তৃণমূলকে হারাবো। একইকথা আপনারও বলুন।
প্রশ্ন: তৃণমূল এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি, সম্ভবত আজকেই করবে। ওরা বলছে যে, বরানগরের এনার্জি, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী।
বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ: এখন এনার্জি, এলার্জি পরিণত হবে কিনা, সেটা আর কয়েকটা ঘণ্টা বাদেই বোঝা যাবে। তো আমাদের ওইসব নিয়ে কোনও যায় আসে না। সায়ন্তিকা দেবী হন বা অন্য কেউ হন, লড়াইটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। লড়াইটা তৃণমূল দলের সঙ্গে। কোনও ব্যক্তি এখানে মূল্যবাণ নয়।





















