Kunal Ghosh : বেলেঘাটায় নিজের পোস্টার নিজেই ছিঁড়লেন কুণাল ঘোষ ! 'ধমক' দিলেন দলের কর্মী-সমর্থকদের
West Bengal Assembly Election 2026 : 'বাড়তি উৎসাহ দেখাবি না। আমার বাড়তি ছেলে, বাড়তি উৎসাহ ভোটের জন্য দরকার নেই। আমি পরিচ্ছন্ন ভাবে চলি।', কেন বললেন কুণাল ঘোষ ?

কলকাতা, বেলেঘাটা : বেলেঘাটায় নিজের পোস্টার নিজেই ছিঁড়লেন কুণাল ঘোষ ! পোস্টার ছিড়ে তৃণমূলকর্মীদের কড়া বার্তা কুণালের। সিপিএম প্রার্থী পারমিতা রায়ের পোস্টারের ওপরে তাঁর পোস্টার সাঁটিয়ে দেন বলে অভিযোগ কুণালের। জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। 'আমি এসব পছন্দ করি না, আপনারা আপনাদের পোস্টার মারুন', দলীয় কর্মী ও স্থানীয় সিপিএম নেতাদের ডেকে বললেন তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ।
এবার বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়বেন কুণাল ঘোষ। ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই। স্বভাবতই জোরকদমে চলছে প্রচার। প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা পোস্টারও লাগাচ্ছেন। বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষের পোস্টারও লাগানো হয়েছে। অভিযোগ, বেলেঘাটার সিপিএম প্রার্থী পারমিতা রায়ের পোস্টারের উপর তাঁর পোস্টার লাগানো হয়েছিল। সেই পোস্টার ছিঁড়ে দেন কুণাল ঘোষ। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, 'সিপিএমের কাউকে বল, উজ্জ্বলদাকে ডাক, সিপিএমের পোস্টার এনে আমাদের ছেলেরা লাগাবে। তার উপরে আমার পোস্টার পড়বে না।'
দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ডেকে কুণাল ঘোষ আরও বলেন, 'ওদের দুটো পোস্টার আন। মেরে দেন। এটা বিজেপি থাকতে পারে, কংগ্রেস থাকতে পারে। কেন মেরেছিস অন্য পার্টির উপরে? বাড়তি উৎসাহ দেখাবি না। আমার বাড়তি ছেলে, বাড়তি উৎসাহ ভোটের জন্য দরকার নেই। আমি পরিচ্ছন্ন ভাবে চলি। আমার কোনও ছেলে অন্য কোনও পার্টির প্রচারে ডিসটার্ব করবে না। অন্য পার্টির এভরি রাইট আছে তারা পোস্টার মারবে। আমার কোনও পোস্টার তাদের উপর পড়বে না।'
এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ২ দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ১৫২ আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। আর ভোটের গণনা আগামী ৪ মে। এই প্রথমবার নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
কিছুদিন আগে এই পোস্টার, ব্যানার লাগানো নিয়েই ধুন্ধুমার হয়েছে বরানগরে
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে লড়বেন সজল ঘোষ এবং তৃণমূলের হয়ে লড়বেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েক সপ্তাহ আগে একদিন সন্ধ্যায় প্রচারের সময় দু'পক্ষের মধ্যে তুলকালাম হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় র্যাফ। বিজেপির অভিযোগ ছিল, তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা বিজেপির পোস্টার ছিঁড়েছে, ঝাণ্ডা খুলে নিয়ে গিয়েছে। ফ্লেক্স, ব্যানার খুলে দিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল পাল্টা অভিযোগ করে যে বহিরাগতদের নিয়ে এসে শান্ত বরানগরকে অশান্ত করার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। নির্বাচনে এর জবাব দেবেন বরানগরের সাধারণ মানুষ।
সেরা শিরোনাম




















