Narendra Modi: 'প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল..', IPAC-এর নাম না করে, তৃণমূলকে নিশানা নরেন্দ্র মোদির
WB Assembly Election 2026: শুধু কলকাতায় I-Pac-এর অফিসে অভিযান নয়। সম্প্রতি ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা I-PAC এর ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল।

ঠাকুরনগর: কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ৮ জানুয়ারি, আই প্যাকের অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ED-র অভিযান। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌঁছে যাওয়া, ফাইল হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসা তা নিয়ে আদালতে মামলা মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন উঠেছে। বিধানসভা ভোটের আবহে যখন এসব নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থায় এদিন IPAC-এর নাম না করে, তৃণমূলকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তদন্তে বাধা দিয়ে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ তুললেন তিনি। তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করছিল। কয়লা পাচার মামলায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত প্রসঙ্গে এভাবেই তৃণমূলকে নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদি। পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূলও। দুর্নীতি ইস্যুতেও একের অন্যের দিকে সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল ও বিজেপি।
এদিন ঠাকুরনগরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করছিল। সুপ্রিম কোর্ট এটাকে খুবই কঠোর দৃষ্টিতে দেখেছে। এই নির্মম সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সুপ্রিম কোর্ট কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় তৃণমূলকে একটা জোর থাপ্পড় মেরেছে। আপনারা দেখেছেন তৃণমূলের সরকার তদন্তে বাধা তৈরি করছিল। আদালত এই ধরনের কাজকে গণতন্ত্রের জন্য বিপদ বলে উল্লেখ করেছে।'
শুধু কলকাতায় I-Pac-এর অফিসে অভিযান নয়। সম্প্রতি ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা I-PAC এর ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল। আচমকা I-PAC-এর কর্মীদের ২০ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। যার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র দেখতে পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, 'ভোটের সময় প্রচার করতে আটকাচ্ছো আমাদের লোকদের, আমাদের একটাই মাত্র এজেন্সি, তোমাদের হাজারটা সারা ভারতবর্ষ জুড়ে, তাদের পর্যন্ত বলেছো বাংলা ছেড়ে চলে যাও, লজ্জা করে না?'
এদিনের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি বলেন, '৪ মে-র পর তৃণমূলের সব গুন্ডা, সব অত্যাচারী, সব দুর্নীতিগ্রস্তদের হিসাব হবে। পুরো হিসাব হবে। খুঁজে খুঁজে হিসাব হবে। তৃণমূলের দুর্নীতির সূর্যাস্ত হয়ে গেছে।'
এদিন অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও মুখ খুলেছেন নরেন্দ্র মোদি ফের। তিনি ঠাকুরনগরের সভা থেকে জানিয়েছেন, 'যারা অবৈধ উপায়ে বাংলায় ঢুকেছে, যারা ভুয়ো নথি দেখিয়ে এখানে থাকছে, তারা যেন ২৯ এপ্রিলের আগে বাংলা আর হিন্দুস্তান ছেড়ে চলে যায়। যারা প্রকাশ্যে CAA-র বিরোধিতা করে, যে CAA-কে হঠানোর কথা বলে, তারা কি আপনাদের ভাল চাইতে পারে? যদি কেউ ভুল করেও তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবে, তাহলে তিনি নিজের পূর্বপুরুষের মনে দুঃখ দেওয়ার কাজই করবেন। চৌঠা মে-র পর প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে উৎখাত করা হবে। তৃণমূল কোনও অনুপ্রবেশকারীকে বাঁচাতে পারবে না।'




















