West Bengal Assembly Election 2026: '৪ মে যে রেজাল্ট বেরোবে, তখন যে ঘণ্টাটা বাজবে, সেই ঘণ্টায় নরেন্দ্র মোদির...', কী বললেন কল্যাণ
Kalyan Banerjee: ''সারা বিশ্বে দেখবে এই প্রথম একটা জায়গা, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে হারানোর জন্য বারবার দৌড়ে আসছে।'

কলকাতা : ভোটের বাকি আর মাত্র ১০ দিন। আগামী সপ্তাহেই পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। ২৩ এপ্রিল প্রথম এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা। আর তাই জোরকদমে ভোট প্রচারে নেমেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। তাঁদের সমর্থনে রাজ্যে আসছেন দলের হেভিওয়েটরা। ১১ এবং ১২ এপ্রিল, অর্থাৎ শনি ও রবিবার পশ্চিমবঙ্গে একগুচ্ছ সভা করেছেন নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ। আজ সোমবার ১৩ এপ্রিলও একাধিক সভা করেছেন অমিত শাহ। এর মাঝে রবিবার আবার যোগী আদিত্যনাথও বেশ কয়েকটি সভা করে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে।
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এভাবে ঘনঘন রাজ্যে এসে ভোট প্রচারের ঘটনায় খানিকটা কটাক্ষ করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সাংসদ বলেছেন, 'সারা বিশ্বে দেখবে এই প্রথম একটা জায়গা, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে হারানোর জন্য বারবার দৌড়ে আসছে। এই যে ২০২৬-এর ৪ মে যখন রেজাল্ট বেরোবে, ২৩০ থেকে ২৪০টা হবে, তখন যে ঘণ্টাটা বাজবে না, সেই ঘণ্টায় দেখবে ২০২৯-এ নরেন্দ্র মোদির ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে।'
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় লড়ছেন বিধানসভা নির্বাচনে। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়বেন তিনি। শীর্ষণ্যর প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপির দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। উত্তরপাড়ায় নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল। এবার প্রথম দফার ভোটে ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে। আর দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটের গণনা আগামী ৪ মে। সোমবার বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের সভা থেকে অমিত শাহ দাবি করেছেন, ৫ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-ই ক্ষমতায় আসবে।
বিগত কয়েকদিনে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ যে যে জনসভা করেছেন, সেখানে বারবার উঠে এসেছে কয়েকটি কথা। মোদি এবং শাহের মুখে বারংবার শোনা গিয়েছে যে, বিজেপি এ রাজ্যে ক্ষমতায় এলে মহিলারা নীরাপদে থাকবেন, সুরক্ষিত থাকবেন। তরুণ প্রজন্মের কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে। পশ্চিমবঙ্গে গুণ্ডারাজ, সিন্ডিকেট, কাটমানি, মাফিয়ারাজ - এইসব বন্ধ হবে। অনুপ্রবেশকারীদের এই রাজ্য থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। সমস্ত সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তুলোধনা করতে পিছপা হননি তাঁরা। বিজেপির দাবি, এই নির্বাচন অনুপ্রবেশকারীদের বিতারণের জন্য, মহিলাদের সুরক্ষার জন্য, আর তা সম্ভব তৃণমূল সরকারের বিদায়ের মাধ্যমে। কী হবে ৪ মে ভোট গণনায়? কে গড়বে সরকার? আগামী দিনে জবাব দেবেন পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ।




















