Bengal Assembly Election 2026 Results: দুপুর পেরতেই গেরুয়া ঝড়, কোন ম্যাজিকে বাজিমাতের পথে বিজেপি? কী স্ট্র্যাটেজিতে জয়ের দোরগোড়ায়?
এখনও পর্যন্ত শেষ ট্রেন্ড পাওয়া অনুযায়ী বিজেপি ১৯০ আসনে এগিয়ে, তৃণমূল এগিয়ে ৯৮ আসনে।

কলকাতা: এগিয়ে থাকার নিরিখে ম্যাজিক ফিগার পেরোল বিজেপি। এখনও পর্যন্ত শেষ ট্রেন্ড পাওয়া অনুযায়ী বিজেপি ১৯০ আসনে এগিয়ে, তৃণমূল এগিয়ে ৯৮ আসনে। জলপাইগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমান থেকে ঝাড়গ্রাম, জেলাওয়াড়ি খারাপ ফল তৃণমূলের। কলকাতা থেকে জেলা-ভোটের রেজাল্ট আউট শুরু হতেই বিজয় উল্লাসে বিজেপি। সন্ধে সাড়ে ৬টায় বিজেপির সদর দফতরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
কী স্ট্র্যাটেজিতে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া-ঝড়? (ব্যাখ্যা এবিপি আনন্দের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট)
১। বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যক্তিগত আলোচনায় তাঁদের নির্বাচনী পরিকল্পনা শুরু করেছিল মাইনাস ৬৫ আসন থেকে। কারণ তাঁদের হিসেব ছিল যে সংখ্যালঘু ভোট তাঁরা পাবেন না। সেটা গোটা দেশেই পরিচিত ট্রেন্ড। বীরভূমের প্রেক্ষিত আলাদা। যাদের বিজেপির ঝান্ডা হাতে মৃত্যু হয়েছিল তাঁরা সংখ্যালঘু ছিল।
২। বিজেপি টার্গেট করেছিল ১৭৭ টি আসন। এই আসনেই ফোকাস করে।
৩। সাংগঠনিক শক্তি ও দলের দুর্বলতাকে চিহ্নিত করে আগে। বুথ স্তরে যে সাংগঠিক দুর্বলতা আছে তা মেনে নেয়। কারণ ৮০ হাজার বুথে ৪০ হাজারও ক্রস করতে পারেনি বিজেপি। এমনকী বিজেপি বহু কেন্দ্রে বিএলএ দিতে পারেনি। তবে এই নেতিবাচকতাকে মেনে তা সংশোধন করার চেষ্টা করে।
৪। আদি ও নব্য বিজেপিকে একযোগ করা। আদি বিজেপিকে ফেরানো কাজ করেছে। কেউ ফিরলেন টেলিভিশনে বিজেপির হয়ে মুখপাত্র হিসেবে, কেউ আবার পেয়ে গেলেন টিকিটও। নির্বাচনের বেশ কয়েকমাস আগে শমীক ভট্টাচার্য যখন এলেন তখন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, তথাগত রায় সামনে এলেন। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে আদি-নব্যর দ্বন্দ্ব হয়তো থাকতে পারে কিন্তু নির্বাচনের আগে সেই ফাটল ভরাট করেছে।
৫। দলবদলু, তৃণমূল থেকে আসা এই সব শব্দে গুরুত্ব না দেওয়া। যে প্রক্রিয়ায় কৈলাশ বিজয়বর্গীয় নামে ব্যক্তি বিজেপিকে কার্যত ডুবিয়েছিলেন ২০২১ -এ। সেই মডেল থেকে বিজেপি বেরিয়ে এসেছে।
৬। পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি এই সরকারের অপশাসনকে সামনে আনা। নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ থেকে শুভেন্দু অধিকারী-শমীক ভট্টাচার্যরা টানা করে গিয়েছিলেন।
৭। স্ট্র্যাটেজি বদল হল আক্রমণে। প্রথমে সরাসরি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে আক্রমণ করলেও নীতি বদল করে বিজেপি বলা শুরু করে যে ক্ষমতায় এলে এই সব প্রকল্প চালু থাকবে। সব ভাতা নির্ভর প্রকল্প রেখে টাকার সংখ্যা দ্বিগুণ করে দিল। ১৫০০ হাজার টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ৩০০০ করা হল, যুবসাথীতেও ১৫০০ টাকা করা হল ৩০০০ টাকা।





















