Abhishek Banerjee: ফর্ম-৬ নিয়ে কারচুপি ! 'ভোটার লিস্টের মাধ্যমেই চলছে ভোট চুরি', CEO দফতর থেকে বেরিয়ে কী বললেন অভিষেক ?
CEO Office Visit: ফর্ম-৬ এর মাধ্যমে ভোট চুরির অভিযোগ জানাতে CEO দফতরে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দফতর থেকে বেরিয়ে কী জানালেন তিনি ?

কলকাতা: একদিকে যখন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নালিশ জানাতে বিজেপির প্রতিনিধিদল হাজির হয়, ঠিক তখনই অন্যদিকে পাল্টা CEO দফতরে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফর্ম-৬ নিয়ে কারচুপি হচ্ছে, এই অভিযোগেই সরব হন তিনি। অভিষেক জানান, ভোটার লিস্টের মাধ্যমেই চলছে ভোট চুরি। যা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
আজ দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে নালিশ জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন কিরেন রিজিজু, পীষূষ গোয়েল ও সুকান্ত মজুমদাররা। কমিশনের কাছে ৬টি দাবি পেশ করেন তাঁরা। পাশাপাশি, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুসারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যাতে ব্যবস্থা নেয় কমিশন ও মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞার দাবি তুলে অভিযোগও জানিয়েছেন। সুকান্ত মজুমদাররা জানান, প্রতিটি ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। হারের ভয়ে বেপরোয়া হয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে, ফর্ম-৬ এর মাধ্যমে ভোট চুরির অভিযোগ জানাতে CEO দফতরে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি জানান, '' কিছু ফর্ম-৬ আলাদা করে CEO অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে, এবং নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী ৫০ টার বেশি ফর্ম -৬ কেউ জমা দিতে পারে না। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে যে আজকে সকাল ১১ তা থেকে ৬ টা, এই ৬-৭ ঘন্টায় প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম-৬ অবৈধভাবে, যারা বাংলার ভোটার নয়, যাদের বিহার, UP-র ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে বিভিন্ন বিধানসভায়। বিশেষ করে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা যেখানে রয়েছে, যেমন নোয়া পাড়ায়, আমার কাছে খবর আছে ৬০০-৭০০ ফর্ম-৬ জমা পড়েছে। ব্যারাকপুর, পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার ফর্ম-৬ জমা পড়েছে। নর্থ কলকাতার ৩টি বিধানসভার ফর্ম-৬ জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম-৬ জমা পড়েছে।'' অভিষেক আরও জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ফর্ম-৬ এভাবে CEO দফতরে জমা দেওয়া যায় না।
What we are witnessing is deeply concerning. There are growing indications of a coordinated attempt to interfere with the democratic rights of the people of Bengal - with the BJP at the centre of it and the ECI seemingly looking the other way.
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) March 30, 2026
People deserve to know what is… pic.twitter.com/EweiCz8Iez
উল্লেখ্য, CEO দফতরের ভেতরে যাওয়ার আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "চুরি ধরা পড়ে গেছে। আমি ট্যুইট করেছি। ভিডিও রয়েছে। ওখানে পেটি পেটি ফর্ম ৬ স্টোর করে সিইও অফিসে রাখা রয়েছে। এদের সঙ্গে কারোর বাংলার কোনও সম্পর্ক নেই। দিনেদুপুরে চুরি ধরা পড়ে গেছে। এইভাবে এরা মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, দিল্লিতে ভোট চুরি করেছে। এই কায়দায় বাংলা দখল করতে চায়।"




















